ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে বন্ধকী ঋণের চড়া সুদের হারের কারণে ক্রেতারা ক্রমশ ‘অ্যাডজাস্টেবল-রেট মর্গেজ’ বা পরিবর্তনশীল সুদের হারের ঋণের দিকে ঝুঁকছেন। তবে এই সিদ্ধান্তের ফলে অনেক গৃহমালিককে ভবিষ্যতে প্রতি মাসে ১,০০০ ডলারের বেশি অতিরিক্ত কিস্তি গুনতে হতে পারে।
সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতে প্রায় ১১ শতাংশ নতুন মর্গেজ লক ছিল এআরএম-ভিত্তিক, যা গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। সাধারণ ৩০ বছর মেয়াদী ফিক্সড সুদের হার ৭.৩১ শতাংশে পৌঁছানোর কারণেই গৃহক্রেতারা এই বিকল্পটি বেছে নিচ্ছেন।
এই প্রক্রিয়ায় শুরুতে কয়েক বছর সুদের হার কম বা নির্দিষ্ট থাকে, তবে নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পর বাজারের অবস্থা অনুযায়ী সুদের হার নতুন করে সামঞ্জস্য করা হয়।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে ৩১ লাখ সক্রিয় এআরএম ঋণ রয়েছে। ২০২৭ সালে প্রায় ১ লাখ ৮৬ হাজার গৃহমালিকের ঋণের সুদের হার প্রথমবারের মতো পুনর্বিন্যাস হবে।
যারা ২০২০ সালে কম সুদে (যেমন : ২.৭৫ শতাংশ) ৭ বছর মেয়াদী অজগ নিয়েছিলেন, ২০২৭ সালে তাদের সুদের হার বেড়ে আনুমানিক ৫.৭৯ শতাংশ হতে পারে। এর ফলে তাদের মাসিক কিস্তি গড়ে ১,০০০ ডলারের বেশি (বা ৩৬ শতাংশ) পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে।
চড়া সুদের কারণে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে বাড়ি কেনার সামর্থ্য গত দুই বছরের মধ্যে সর্বনি¤œ পর্যায়ে নেমে এসেছে। মধ্যম আয়ের একটি পরিবারের আয়ের প্রায় ৩১.৭ শতাংশ চলে যাচ্ছে কেবল মর্গেজের কিস্তি দিতে। সুদের হার ৭ শতাংশের ওপরে ওঠায় ইতিমধ্যে নতুন বাড়ি কেনার আবেদন ৮ শতাংশ কমে গেছে।

















