ছবি: সংগৃহীত
২০০১ সালের ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের প্রায় ১০০ স্বজন ম্যানহাটনের আপিল আদালতে উপস্থিত হয়ে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। আল-কায়েদা ছিনতাইকারীদের সহায়তার দায় থেকে রিয়াদ যেভাবে রেহাই পেতে চাইছে, তাকে ‘অপমানজনক’ ও ‘অন্যায়’ বলে আখ্যা দিয়েছেন তারা।
গত বছরের আগস্টে একটি নি¤œ আদালত রায় দেয়, ছিনতাইদের সহায়তায় সৌদি সরকারের সরাসরি ভূমিকার যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে এবং স্বজনরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া চালিয়ে যেতে পারবেন। সৌদি সরকারই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছে। তারা দাবি করছে, বিদেশি রাষ্ট্রের সার্বভৌম ক্ষমতার সুরক্ষার আওতায় তাদের বিরুদ্ধে এই মামলা চলতে পারে না।
সৌদি পক্ষের আইনজীবী গ্রেগরি রাপাউই আদালতে দাবি করেন, সৌদি আরব কখনোই তার মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে শত্রু সংগঠন আল-কায়েদাকে সমর্থন করেনি।
অন্যদিকে, ভুক্তভোগীদের আইনজীবী গ্যাভিন সিম্পসন পাল্টা যুক্তি দেন, সৌদি সরকার হামলায় নিজেদের জড়িত না থাকার বিষয়টি প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।
২০০৪ সালে দায়ের করা এই মামলায় অভিযোগ করা হয়, ওমর আল-বায়োমি নামে এক সন্দেহভাজন সৌদি গোয়েন্দা ক্যালিফোর্নিয়ায় দুজন ছিনতাইকে থাকার ব্যবস্থা করে দেন এবং ইউএস ক্যাপিটল ভবনের রেকি করেছিলেন।
শুনানি শেষে ভুক্তভোগীদের পরিবারের সদস্যরা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানান, তিনি যেন সৌদি সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন এবং তাদের এই অপরাধের জন্য ক্ষমা চাইতে বাধ্য করেন।
আপিল আদালতের বিচারক প্যানেল জানিয়েছেন, তারা আগামী কয়েক মাসের মধ্যে নি¤œ আদালতের রায় বহাল রেখে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া শুরু করা হবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন।

















