
ছবি: সংগৃহীত
চতুর্থবারের মত নিউইয়র্কভিত্তিক ইউএস-বিসিসিআই বিজনেস এক্সপো ও গ্লোবাল এসএমই ফেয়ার আগামী ২১ ও ২২ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এই উপলক্ষে ইউএস বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির নেতৃবৃন্দ মিট দ্য প্রেসের আয়োজন করেন জ্যামাইকার গ্রেটার নেক্সাস কার্যালয়ে।
মিট দ্য প্রেসে মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন এই প্রতিষ্ঠানের প্রেসিডেন্ট লিটল আহমেদ এবং ডিরেক্টর শেখ ফরহাদ, ডিরেক্টর ইসমাইল আহমেদ, ডিরেক্টর বদরুদ্দোজা সাগর এবং ডিরেক্টর সিপিএ আহাদ আলী।
শুরুতেই লিখিত বক্তব্যে শেখ ফরহাদ বলেন, নিউইয়র্কের হিলটন লাগোয়ার্ডিয়া এয়ারপোর্ট হোটেলে এই আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ৫০টিরও বেশি প্রদর্শক থাকবে। এর মধ্যে অন্যতম প্রবাসী উদ্যোক্তা, এসএমই বা স্মল এন্ড মেডিয়ান এন্টারপ্রাইজ ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী, সরকারী কর্মকর্তা, বাণিজ্য সংস্থা ও নীতিনির্ধারকগণ।
শেখ ফরহাদ জানান, এই বিজনেস এক্সপোতে বিজনেস টু বিজনেস অর্থাৎ ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সরাসরি কথা বলা ও অংশীদারত্বের সুযোগ থাকবে। এক্সপোতে থাকবে বিজনেস সেমিনার, প্যানেল আলোচনা, ডায়াসপোরা নেটওয়ার্কিং, বাংলাদেশ ও আমেরিকার সরকারি প্রতিনিধি, ব্যবসায়িক সংস্থার মধ্যে মতবিনিময় ছাড়াও বিগত দিনের পারফর্মেন্স পর্যালোচনা সাপেক্ষে গ্লোবাল বিজনেস এক্সিলেন্স এওয়ার্ড সহ উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের স্বীকৃতি প্রদান করা হবে। তিনি জানান, এই এক্সপোতে বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ তৈরি করবে। একই সাথে প্রবাসী উদ্যোক্তাদের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি, প্রযুক্তি হস্তান্তর, নতুন বিনিয়োগ ও দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ককে আরো গতিশীল করবে।
লিটন আহমেদ তার বক্তব্যে বলেন, আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রবাসী বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের সাথে যোগসূত্র তৈরি করে দেয়া যাতে তারা তাদের ব্যবসাকে বিস্তৃত করতে পারেন। তাদের ব্যবসা বিস্তৃত হলে বাংলাদেশই লাভবান হবে। তিনি বলেন, ইউএসএআইডি বাংলাদেশে অর্থ বরাদ্দ বন্ধ করে দেওয়ায় যারা ক্ষতিগ্রস্ত তাদের পাশে আমরা দাঁড়াচ্ছি। লিটন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশে রেমিটেন্স বাড়ানোর মূল উৎস হলো এখানকার ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী ও ব্যবসায়ীদের ব্যবসার সাফল্য। তাদের ব্যবসা ভাল হলে রেমিটেন্স বাড়বে। তিনি নিউইয়র্কের ব্যবসায়ীদের দ্রুত উন্নতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে তাদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, যেসব নতুন উদ্যোক্তা বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানি করতে আগ্রহী, তাদের উক্ত এক্সপোতে আসার আগাম আমন্ত্রণ জানান।
ডিরেক্টর ইসমাইল আহমেদ বলেন, নিউইয়র্কে ব্যবসার অবারিত সুযোগ রয়েছে। আমরা অনেকেই জানি না সেই সুযোগ কিভাবে গ্রহণ করতে হবে। বিজনেস এক্সপোতে সেই সুযোগ থাকবে। সিপিএ ও ডিরেক্টর আহাদ আলী বলেন, এক্সপোতে আমরা ইনভেস্টর ভিসা বা ইবি ভিসা কিভাবে পাওয়া যায় সে বিষয়ে পরামর্শ দেব।
ডিরেক্টর বদরুদ্দোজা সাগর বলেন, আমরা এমনভাবে আয়োজন করছি যাতে এক্সপো থেকে সকলে কিছু না কিছু অর্জন করতে পারেন। তিনি বলেন, রিভার আমাদের চতুর্থবারের মত সাপোর্ট করছে।
ডিরেক্টর শেখ ফরহাদ বলেন, আমরা কোনো ব্রোকারের মাধ্যমে কিছু করতে চাই না। আমরা চাই ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা সরাসরি তাদের কাউন্টারপার্টের সাথে যোগাযোগ করুক।
লিটন আহমেদ বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য হলো ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ শ্লোগান প্রতিষ্ঠিত করা। তিনি আরো জানান ইউএসবিসিসিআই ২০১৮ সাল থেকে কাজ করছে। আমরা এখন প্রতি সপ্তাহে ব্যবসায়ীদেন কাছে প্রায় এক লক্ষ ইমেইল পাঠাই বিভিন্ন তথ্য দিয়ে।