
ছবি: সংগৃহীত
স্কুলজীবনের সেই মধুর স্মৃতি বারবার দোলা দেয়। ক্লাসরুমের সেই ঘড়ি কিংবা ইরেজার- যে কাউকে স্কুলে নিয়ে যেতে পারে। মার্টি রাসকিন সেই স্মৃতিভা-ারের পসার সাজিয়ে বসেছেন। কয়েক দশক তিনি ব্যয় করেছেন এগুলো সংগ্রহে। ৮৪ বছর বয়সে এসে তিনি দেখেন, অনেক কিছুই জমে আছে তার সংগ্রহসালায়।
তার সংগ্রহে থাকা অনেক কিছুর একটি হলো এক ইলেক্ট্রিক ইরেজার ক্লিনার। তিনি বলেন, ‘প্লাগে লাগালেই এটি কাজ শুরু করে দেয়।’
ব্রুকলিনের অধিবাসী রাসকিন ৩২ বছর সিটির পাবলিক স্কুল সিস্টেমে পড়িয়েছেন। অবশেষে ১৯৯৮ সালে তিনি অবসর নেন। তিনি কয়েক দশকের ক্লাসরুম ইতিহাস ধরে রাখতে তৈরী করেছেন এই আর্কাইভ।
তিনি জানান, ‘এসব জিনিসের অনেক কিছুই ইবে বা ইটসিতে পাওয়া যায়। তবে আমি নানা শিক্ষকের কাছ থেকে দান হিসেবে পেয়েছি। তবে আমার কাছে এগুলো নিয়ে চিঠিও আছে। আমি প্রদর্শনী করলে তাদের মা-বাবাদের সন্তানদেরও পাই।’
রাসকিন নিজেও এই স্কুল সিস্টেমে ওঠে এসেছেন। তিনি ইস্ট নিউইয়র্কের পি.এস. ২০২ এবং ব্রুকলিন/কুইন্স সীমান্তের ফ্রাঙ্কলিন কে লেন হাই স্কুলে পড়াশোনা করেছেন।
তার সংগ্রহে বিশেষভাবে রয়েছে হ্যাট, অ্যাপারেল, বিখ্যাত পুরনো বোর্ড অব এডুকেশনের ডোরনব, ডেল্যানি অ্যাটেন্ডেন্স কার্ড, ঘড়ি, স্টুডেন্ট পাবলিকেশন্স, এমনকি ডেস্ক ও কালির দোয়াতের মতো ফার্নিচার পর্যন্ত।
তিনি চান, তার সংগ্রহগুলো কোনো স্থায়ী ঠিকানায় ওঠুক। এ ব্যাপারে তিনি নিউইয়র্কের বাসিন্দাদের সহযোগিতাও কামনা করেছেন।
রাসকিনের কাছে প্রতিটি সংগ্রহই নস্টালজিয়ার চেয়েও বেশি কিছু। এটি হলো তার পেশা, তার ছাত্রদের এবং নগরীর ক্লাসরুমগুলো পাড়ি দিয়ে আসা প্রজন্মগুলোর প্রতি সম্মান জানানোর একটি রাস্তা।