শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫

সাপ্তাহিক নবযুগ :: Weekly Nobojug

ইমিগ্রেশন কোর্টহাউসে  গ্রেফতার বন্ধ চান  অ্যাডামস

নবযুগ রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২০:০৭, ২২ আগস্ট ২০২৫

ইমিগ্রেশন কোর্টহাউসে  গ্রেফতার বন্ধ চান  অ্যাডামস

ছবি: সংগৃহীত

কোর্টহাউসে আইসিইর গ্রেফতার আশু বন্ধ করার জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। আর নিউইয়র্ক সিটি কর্মকর্তাদের দায়ের করা ওই মামলাটির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন মেয়র এরিক অ্যাডামস।

অ্যাডামস বলেন, ‘কারো তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে, অসুস্থ হলে হাসপাতালে যেতে, বিপদে পড়লে ৯১১-এ ফোন করতে কিংবা দরকার পড়লে শুনানির জন্য আদালতে যেতে ভয় পাওয়া উচিত নয়।’
সিটির সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক মাসে ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) পুরো যুক্তরাষ্ট্রের আদালতগুলোতে যত গ্রেফতার করেছে, তার অর্ধেকই হয়েছে নিউ ইয়র্ক সিটিতে। এসব ঘটেছে ২৬ ফেডারেল প্লাজার মতো ভবনগুলোতে। আর এসব স্থানেই ম্যান্ডাটরি শুনানির জন্য ইমিগ্রেশন আদালতে যেতে হয়।
সিটির মামলা দায়ের জবাবে ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি আদালত ভবন এলাকায় গ্রেফতারের পক্ষে যুক্তি দিয়েছে।
এক ইমেইল বিবৃতিতে অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ট্রিসিয়া ম্যাকলফলিন বলেন, ‘আইন লঙ্ঘনকারীকে পাওয়ামাত্র গ্রেফতার করতে সংবিধানে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। আইন প্রয়োগকারীদের আদালত এলাকায় অপরাধী অবৈধ বিদেশিদের গ্রেফতার করাটা সহজেই বোধগম্য বিষয়। এতে আইন প্রয়োগকারীদের সম্পদ রক্ষা পায়। কারণ, তারা জানে যে কোথায় তাদের টার্গেটকে পাওয়া যাবে। এটা আমাদের কর্মকর্তা এবং কমিউনিটির জন্য অনেক নিরাপদও। এসব অবৈধ বিদেশি নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় তাদের কাছে অস্ত্র আছে কিনা তা যাচাই করে দেখা হয়।’
তবে অ্যাডভোকেটরা যুক্তি দিচ্ছেন যে আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থন করতে আসাদের গ্রেফতার করাটা অভিবাসন প্রক্রিয়ার বৈধতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
নিউ ইয়র্ক লিগ্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স গ্রুপের ইমিগ্রেশন প্রটেকশন ইউনিটের সিনিয়র স্টাফ অ্যাটর্নি বেনিয়ামিন রেমি বলেন, ‘লোকজন শুনানির নোটিশ পেয়ে আদালতে হাজির হয়। বিচারক যেসব নথিপত্র দেখতে চান, সেগুলো নিয়ে তারা হাজির হন। আর তারা ওয়েটিং রুমে অপেক্ষা করার সময় দেখতে পায় যে আইসিই অফিসাররা প্রায়ই লোকজনকে আটক করছে।’
তিনি বলেন, এতে করে লোকজন জুয়া খেলার মতো অবস্থায় পড়ে যায়। এমনটা যথাযথ নয়।
তিনি বলেন, ‘তারা জানে না যে তারা তাদের পরিবারের কাছে ফিরতে পারবে কিনা। তারা জানে না, তারা তাদের সন্তানদের কাছে আর যেতে পারবে কিনা। তারা আসলেই জুয়ায় অংশ নিচ্ছে। এই জুয়া হলো চেষ্টা করা।’
 

শেয়ার করুন: