
ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ও জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের যৌথ উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের প্রথম বার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। গত ২৫ জুলাই অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে বীর মুক্তিযোদ্ধা, রাজনৈতিক, সামাজিক, ব্যবসায়িক, সাংস্কৃতিক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, বাংলাদেশী শিক্ষার্থী এবং কমিউনিটির বিপুল সংখ্যক সদস্য অংশগ্রহণ করেন।
ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী। অনুষ্ঠান শুরু হয় ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে এবং সম্প্রতি বাংলাদেশে মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমানের বিধ্বস্তে নিহত ও আহতদের প্রতি এক মিনিট নীরবতা পালন করে। এরপর জুলাই অভ্যুত্থান বিষয়ক একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।
ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন এবং মাইলস্টোন দুর্ঘটনায় হতাহতদের প্রতি শোক প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের পর বাংলাদেশের সংস্কার ও সুশাসনের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক অর্থনীতির দেশ গঠনের কাজ চলছে। দ্রুত উন্নয়নশীল অর্থনীতি, তরুণ ও মেধাবী শ্রমিকবৃন্দ, প্রযুক্তি সম্প্রসারণসহ নানা সুযোগ-সুবিধার কথা উল্লেখ করে, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের অবদান বিশেষভাবে স্মরণ করেন। পাশাপাশি, তিনি নাগরিক সমাজকে বাংলাদেশ বিষয়ক ঐক্যের আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী তার বক্তব্যে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের স্মরণ ও শোক প্রকাশ করেন এবং প্রবাসী বাংলাদেশী ছাত্র-জনতার অবিস্মরণীয় ত্যাগ এবং যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত প্রবাসীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদানের প্রশংসা করেন।
কনসাল জেনারেল মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক স্বাগত বক্তব্যে জুলাই অভ্যুত্থানে প্রবাসী ছাত্র-জনতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা স্মরণ করে, প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে সংস্কার কর্মসূচির বাস্তবায়নে প্রবাসীদের সহযোগিতা কামনা করেন।