
ছবি: সংগৃহীত
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতার করার তথ্য দেওয়ার জন্য ৫০ মিলিয়ন ডলারের পুরস্কার ঘোষণা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। তার বিরুদ্ধে যুক্তরষ্ট্রে মাদক পাচারের অভিযোগ এনেছে ওয়াশিংটন।মার্কিন অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বোন্ডি এক্সে পোস্ট করা এক ভিডিওতে বলেন, মাদুরো আমাদের দেশে প্রাণঘাতী মাদক পাঠাতে ও সহিংসতা ঘটাতে বিদেশী সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোকে ব্যবহার করছেন।
তিনি বলেন, ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এখন পর্যন্ত মাদুরো এবং তার সহযোগীদের সাথে সম্পর্কিত ৩০ টন কোকেন জব্দ করেছে। এর মধ্যে প্রায় সাত টন কোকেনের সাথে মাদুরোর সম্পর্ক রয়েছে। ভেনেজুয়েলা ও মেক্সিকোভিত্তিক ভয়ঙ্কর সিন্ডিকেটের আয়ের মূল উৎস এই মাদোরো।
তিনি বলেন, মাদুরোর পাঠানো কোকেনের চালানের সথে অনেক সময় ফেন্টানিলও থাকে। এগুলো অগণিত আমেরিকান জীবন ধ্বংস করেছে।
উল্লেখ্য, ৬২ বছর বয়স্ক মাদুরোর বিরুদ্ধে ২০২০ সালের মার্চে মাদক পাচারের অভিযোগ উত্থাপিত হয় নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট আদালতে। এসময় তার বিরুদ্ধে মাদক-সন্ত্রাস, কোকেন আমদানিতে ষড়যন্ত্র করা, মেশিনগান ও অন্যান্য বিধ্বংস সরঞ্জাম রাখার অভিযোগও আনা হয়।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের সময় মাদুরোকে গ্রেফতারের জন্য ১৫ মিলিয়ন ডলারের পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সময় পররাষ্ট্র দফতর পুরস্কারের পরিমাণ বাড়িয়ে ২৫ মিলিয়ন ডলার করে। এরপর ট্রাম্প প্রশাসন তা দ্বিগুণ করলেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আমলে মাদুরো বিচার এড়াতে পারবেন না। তাকে ঘৃণ্য অপরাধের শাস্তি পেতেই হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের পুরস্কার ঘোষণা সত্ত্বেও গত বছর ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুনঃনির্বাচিত হন মাদুরো। তবে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এবং বেশ কয়েকটি ল্যাতিন আমেরিকান সরকার ওই নির্বাচনকে ভুয়া হিসেবে অভিহিত করে।