শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫

সাপ্তাহিক নবযুগ :: Weekly Nobojug

রায়কে ‘পূর্ণাঙ্গ বিজয়’ হিসেবে দেখা হচ্ছে

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতারণা  মামলার জরিমানা খারিজ

নবযুগ রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২০:০৯, ২২ আগস্ট ২০২৫

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতারণা  মামলার জরিমানা খারিজ

ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কের একটি আপিল আদালত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আরোপিত বিপুল অঙ্কের একটি প্রতারণা মামলার জরিমানা খারিজ করে দিয়েছে। তবে কয়েক শক ধরে নিজের সম্প অতিরঞ্জিত করে দেখানোর অভিযোগটি বহাল রেখেছে আদালত। একইসাথে ট্রাম্প এবং তার দুই ছেলেকে কয়েক বছরের জন্য করপোরেট নেতৃত্বে নিষিদ্ধও করেছে।

এই রায়কে ট্রাম্প এক সামাজিক মিডিয়া পোস্টে ‘পূর্ণাঙ্গ বিজয়’ হিসেবে দাবি করেছেন।
তিনি সেখানে বলেন, ‘নিউ ইয়র্ক রাজ্যজুড়ে ব্যবসাকে ক্ষতিগ্রস্তকারী অন্যায় ও লজ্জাজনক এই রায়কে বাতিল করার সাহস দেখানোর জন্য আমি আদালতের প্রতি খুবই শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি।’
রিপাবলিকানরা হোয়াইট হাউসে ফিরে আসার সাত মাস পর আদালত এই রায় দিলো। নিউ ইয়র্কের মধ্য পর্যায়ের আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চের ট্রাম্পের আপিলের অনেক বিষয়েই বিভক্ত হয়ে পড়েন। তবে সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ একমত হন যে আর্থিক সাজা ছিল ‘অতিরিক্ত।’
ঋণদাতা ও বিমাকারীদের কাছে পাঠানো অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ট্রাম্পের আর্থিক বিবরণীগুলো পরীক্ষা করে গত বছর বিচারক আর্থার এনগোরন তাকে ৩৫৫ মিলিয়ন ডলার জরিমানা করেছিলেন। আর সুদসহ এই অর্থ াঁড়ায় ৫১৫ মিলিয়ন ডলার। এছাড়া ট্রাম্পের ুই ছেলে- এরিক ও ডোনাল্ড জুনিয়রসহ ট্রাম্প অর্গ্যানাইজেশনের নির্বাহীদের ওপর সুদসহ জরিমানা মিলিয়ে পরিমাণটি দাঁড়ায় ৫২৭ মিলিয়ন ডলার।
আপিল আদালতের ুই বিচারপতি ডিয়ান টি রেনউইক ও পিটার এইচ মলটন তারে রায়ে বলেন, এত বিপুল পরিমাণে আর্থিক জরিমানা আরোপ করা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের অষ্টম সংশোধনীর সাথে সাংঘর্ষিক।
তবে নি¤œ আদালতের বিচারক এনগোরনের অন্যান্য শাস্তি আপিল আদালত বহাল রেখেছে। 
ট্রাম্প এবং তার সাথের অন্য আসামিরা অন্যায় কিছু করার কথা অস্বীকার করে আসছেন। ২০২৪ সালে নি¤œ আদালতের বিচারের সময় ট্রাম্প নিজেকে ‘নির্দোষ’ হিসেবে াবি করেছিলেন। তিনি মামলাটিকেই ‘প্রতারণা’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। তিনি বলছিলেন, নি¤œ আালতের রায় ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। উল্লেখ্য, অ্যাটর্নি জেনারেল এবং বিচারক উভয়ে ছিলেন ডেমোক্র্যাটিক লের সস্য।
এছাড়া নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল প্রেসিডেন্টের নাগরিক অধিকার লঙ্ঘন করেছিলেন কিনা তা তদন্ত করার অংশ হিসেবে সব নথিপত্রসহ তলব করেছিল ট্রাম্পের বিচার বিভাগ। অ্যাটর্নি জেনারেল জেমসের ব্যক্তিগত আইনজীবী অ্যাবে ডি লওয়েল এ ব্যাপারে বলেছিলেন, প্রতারণা মামলার তদন্ত হলো প্রেসিডেন্টের রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বাস্তবায়নে এই প্রশাসনের নির্লজ্জ ও বেপরোয়া উদাহরণ।
ট্রাম্প এবং তার আইনজীবীরা দাবি করছেন, আর্থিক বিবরণীগুলোতে প্রতারণার কিছু ছিল না। তারা বলেন, ব্যাংকার ও বিমাকারীরা স্বাধীনভাবে এসব বিবরণী পর্যালোচনা করেছেন এবং সব ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে।
 

শেয়ার করুন: