
ছবি: সংগৃহীত
মায়ামি তার ঝলমলে নৈশজীবন, পাম-সারির বুলভার্ড, ধনীদের প্লেগ্রাউন্ড হিসেবে সুপরিচিত। আর রিয়েল এস্টেটের ব্যাপারটি সবার ওপরে। সেখানে একটাই কথা : নগদ অর্থই রাজা।মায়ামি মেট্রোতে ১০ লাখ বা এক মিলিয়ন ডলারের বেশি দামের বাড়িগুলোর অর্ধেকের বেশি কেনা হয়েছে পুরোপুরি নগদ অর্থে। রিয়েলটর ডট কমের তথ্যে এই হিসাব পাওয়া গেছে।
মায়ামি সাড়ে সাত লাখ থেকে ১০ লাখ ডলার দামের বাড়িগুলোর ৩৬.৪ ভাগ কেনা হয়েছে নগদ অর্থে। আবার ১০ থেকে ৫০ লাখ ডলারের বাড়িগুলোর ৫৩.৫ ভাগ হয়েছে নগদ অর্থে। অন্যদিকে ৫০ লাখ থেকে এক কোটি ডলারের বাড়িগুলোর ক্ষেত্রে তা হয়েছে ৫৪.১ শতাংশ। আর ১ কোটি বা এর চেয়ে বেশি দামি অতিবিলাসবহুল বাড়িগুলোর প্রায় ৫৯ শতাংশ কেনা হয়েছে নগদ অর্থে।
রিয়েলটর ডট কমের মিয়ামিভিত্তিক রিয়েল এস্টেট অ্যাজেন্ট ও প্রতিষ্ঠাতা অ্যানা বোজোভিচ বলেন, ‘সাউথ ফ্লোরিডার বাজার খুবই ভিন্ন ধরনের। যত দামি জিনিস, সেটি তত বেশি নগদ অর্থে হয়ে থাকে।’
বোজোভিচের প্রতিষ্ঠানের তথ্যমতে, ২০২৫ সালের অর্ধেক অংশে কন্ডোমিনিয়ামের ৮৩ শতাংশ প্রতি বর্গ ফুটের বিক্রি ২০০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। আর ২০১৯ সালের তুলনায় বিক্রি বেড়েছে ৬৩১ শতাংশ।
বোজোভিচ জানান, এখানে ক্রেতা-বিক্রেতারা নগদ অর্থে অভ্যস্ত।