ছবি সংগৃহীত
মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্টের (ডিএইচএস) ৪১ হাজারেরও বেশি কর্মীর ব্যক্তিগত তথ্য জনসম্মুখে ফাঁস হয়ে গেছে। ফাঁস হওয়া তথ্যের মধ্যে রয়েছে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) এবং কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রটেকশন (সিবিপি)-এর মতো এজেন্সিতে কর্মরত কর্মকর্তাদের নাম, কর্মস্থলের ঠিকানা, ফোন নম্বর এবং তাদের কাজের বিবরণী।
‘ডিপার্টমেন্ট অফ পিস’ নামক একটি হ্যাকার গ্রুপ এবং সাইবার নিরাপত্তা গবেষক মায়া ক্রাইমের যৌথ প্রচেষ্টায় ‘আইসপিক’ নামক একটি ডাটাবেসে তথ্যগুলো প্রকাশ করা হয়। হ্যাক হওয়া ডাটার মধ্যে সিবিপি-র ২১,০০০ এবং আইসিই-র প্রায় ৬,৬০০ কর্মীর পাশাপাশি একাধিক গোপন অপারেশনের নাম ও ব্যবহৃত প্রযুক্তির (যেমন সেলব্রাইট ও পালান্তির) বিবরণ রয়েছে। হ্যাকাররা জানিয়েছে, একক সাইন-অন সেবা ‘ওকটা’-এর মাধ্যমে তারা এই তথ্যগুলো হাতিয়ে নেয়; যদিও ওকটা কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে তাদের সিস্টেমে কোনো ত্রুটি ছিল না।
তথ্য ফাঁসের উদ্যোগ নেওয়া সংস্থা ডিডিওসিক্রেটস-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা এমা বেস্ট জানিয়েছেন, গোপন অপারেশন ও নির্বাসন কার্যক্রমের সাথে যুক্ত কর্মকর্তাদের পরিচয় উন্মোচনের মাধ্যমে ‘বেনামি ব্যবস্থার বদলে জবাবদিহিতা’ নিশ্চিত করাই ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্য। এর আগে গত মাসে এফবিআই এবং অতি সম্প্রতি ফেডেরাল ইলেকশন কমিশনও একই ধরনের সাইবার হামলার শিকার হয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে অনথিভুক্ত অভিবাসীদের গ্রেফতার ও নির্বাসনের মাত্রা ব্যাপক বৃদ্ধির মুখে এই সাইবার হামলা চালানো হলো। এ বছর অভিবাসন বিরোধী অভিযানে বলপ্রয়োগের হার বেড়েছে এবং মাস্ক পরা আইসিই এজেন্টদের গুলিতে অন্তত ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেনÑযার মধ্যে মিনেসোটায় আ্যলেক্স প্রেটি ও রেনি গুড নামের দুই নাগরিকের আলোচিত মৃত্যুর ঘটনাও রয়েছে।

















