ছবি: সংগৃহীত
ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে নিজেদের জনবলের এক-চতুর্থাংশেরও বেশি হারানোর পরেও আইআরএস দাবি করছে, তারা সফলভাবে কর সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম। চলতি বছরের ট্যাক্স ফাইলিং সিজনে তাদের পারফরম্যান্সকেই এর প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরছে সংস্থাটি।
এই মৌসুমে সংস্থাটি ১৩ কোটি ৪০ লাখেরও বেশি ব্যক্তিগত ট্যাক্স রিটার্ন গ্রহণ করেছে এবং ৮ কোটিরও বেশি রিফান্ড (ট্যাক্স ফেরত) প্রদান করেছে।
জমাকৃত রিটার্ন এবং রিফান্ডের প্রায় ৯৮% ইলেকট্রনিক বা অনলাইন মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। ইলেকট্রনিকভাবে রিটার্ন জমা দেওয়া করদাতাদের ৯০ শতাংশেরও বেশি ২১ দিন বা তার কম সময়ের মধ্যে তাদের রিফান্ড পেয়ে গেছেন। এবারের গড় ট্যাক্স রিফান্ডের পরিমাণ ছিল ৩,৪০০ ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ১১% বেশি।
কমিটির সামনে দেওয়া বক্তব্যে আইআরএস প্রধান বিসিগনানো বলেন, ‘পারফরম্যান্সের দিক থেকে এটি আমাদের ইতিহাসের সেরা পরিসংখ্যান।’
তিনি আরো উল্লেখ করেন যে, গত বছর ২৭% কর্মী হারানোর পরেও এবং নতুন কর্মী নিয়োগের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়া সত্ত্বেও, ‘এটি আইআরএস-এর ইতিহাসের সবচেয়ে সফল ফাইলিং সিজন।’
জনবলের এই ঘাটতি মেটাতে আইআরএস তাদের আইটি এবং মানবসম্পদ বিভাগের প্রায় ১,৫০০ কর্মীকে ১২০ দিনের জন্য ‘বাধ্যতামূলক’ ডিউটিতে পাঠায়, যাতে তারা সরাসরি ফাইলিং সিজনের কাজগুলোতে সহায়তা করতে পারে।
তবে এই বিশেষ ডিউটিতে নিয়োজিত আইআরএস কর্মীরা অভিযোগ করেছেন যে, তাঁদেরকে যে ধরনের কাজ করতে বলা হয়েছে তা তাদের নিয়মিত বেতন বা পদমর্যাদার তুলনায় অনেক নি¤œমানের।

















