ছবি সংগৃহীত
অবৈধ অভিবাসনবিরোধী অভিযান জোরদার করতে যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইস) আরও প্রায় ৫ হাজার নতুন কর্মকর্তা নিয়োগের পরিকল্পনা করছে। এদের বেশির ভাগই বহিষ্কার কার্যক্রমে নিয়োজিত ডিপোর্টেশন অফিসার হবেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসন এরই মধ্যে আইসের জনবল উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) জানায়, আইস কর্মকর্তা ও এজেন্টের সংখ্যা ১০ হাজার থেকে ২২ হাজারে উন্নীত হয়েছে এবং এ জন্য ২ লাখ ২০ হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়ে। হাজারো নতুন সদস্য ইতোমধ্যে অভিযান ও গ্রেফতার কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছেন।
তবে নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের যাচাই-বাছাই নিয়ে উদ্বেগও রয়েছে। সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, আগের নিয়োগ প্রক্রিয়ার প্রায় ৭ হাজার ৫০০ প্রার্থী এখনও পূর্ণাঙ্গ ব্যাকগ্রাউন্ড যাচাই সম্পন্ন হওয়ার অপেক্ষায় আছেন। ফলে তাদের অনেকেই সীমিত দায়িত্ব পালন করছেন।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, শুধু জুলাই মাসেই আইস প্রায় ৪৯ হাজার ৫৭১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে একই সঙ্গে সংস্থাটির কিছু অভিযানে বিতর্কও সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে সম্প্রতি এক ভেনেজুয়েলান ডোরড্যাশ চালককে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত এক কর্মকর্তার গুলির ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে।
আইসের অভ্যন্তরীণ এক কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, দ্রুত জনবল বাড়ানোর চাপে অনেক নতুন সদস্যের যথাযথ যাচাই হয়নি। ২০২৫ সালের একটি স্মারকে তিনি উল্লেখ করেন, এতে নিরাপত্তা ঝুঁক ও সংস্থার ভেতরে অনুপ্রবেশের আশঙ্কা বাড়তে পারে।
অন্যদিকে ডিএইচএসের একজন মুখপাত্র দাবি করেছেন, নতুন ৫ হাজার নিয়োগ আগের নিয়োগ কর্মসূচির ধারাবাহিকতা নয়; বরং নতুন অর্থায়নের কারণে জনবল বাড়ানোর উদ্যোগ। একই সাথে তিনি কঠোর নিয়োগ মানদ- বজায় রাখার আশ্বাস দিয়েছেন।
সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের সময় আইসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডেবোরাহ ফ্লেইশাকার বলেছেন, ‘যথাযথ যাচাই-বাছাই করতে সময় লাগে। দ্রুত করার চেয়ে সঠিকভাবে করাটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

















