ছবি: সংগৃহীত
পোস্ট-অ্যাকিউট কেয়ার (হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পরবর্তী সেবা) প্রদানকারীরা সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম কঠিন নিয়ন্ত্রক এবং আর্থিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। ২০২৬ সালের এই প্রেক্ষাপটকে মূলত তিনটি প্রধান উপাদান প্রভাবিত করছে : (১) ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল অ্যাক্ট’ (ওবিবিএ)-এর অধীনে ব্যাপক মেডিকেইড পুনর্গঠন, (২) ‘৮০/২০ মেডিকেইড অ্যাক্সেস রুল’ নিয়ে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তা, এবং (৩) মেডিকেয়ারের ‘পেশেন্ট-ড্রিভেন গ্রুপিংস মডেল’-এর অধীনে বর্ধিত অডিট বা নিরীক্ষা নজরদারি।
এই চাপগুলোর সাথে যুক্ত হয়েছে নতুন হসপিস (মরোণাপন্ন রোগীদের সেবা) এবং নির্দিষ্ট কিছু হোম হেলথ সেবাদাতাদের মেডিকেয়ারে নতুন অন্তর্ভুক্তির ওপর ফেডারেল সরকারের দেশব্যাপী নিষেধাজ্ঞা (মোরাটোরিয়াম), যা বাজারে নতুনদের প্রবেশ এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগকে আরো সীমিত করে দিয়েছে। এই সামগ্রিক পরিস্থিতি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর লভ্যাংশ কমিয়ে দিচ্ছে, নতুন রোগী অন্তর্ভুক্তি ব্যাহত করছে এবং আরো কঠোর কমপ্লায়েন্স বা নিয়ম নীতি মেনে চলার দাবি জানাচ্ছে।
হোম কেয়ার অর্থায়নে ওবিবিএ-এর প্রতিবন্ধকতা
২০২৫ সালের ৪ জুলাই আইন হিসেবে স্বাক্ষরিত ওবিবিএ, আমেরিকার ইতিহাসে ফেডারেল মেডিকেইড সহায়তার সবচেয়ে বড় ধরনের কাটছাঁটকে নির্দেশ করে। কংগ্রেসনাল বাজেট অফিস-এর প্রাক্কলন অনুযায়ী, ২০২৫ থেকে ২০৩৪ সালের মধ্যে এর ফলে মেডিকেইড খাতে প্রায় ৯১১ বিলিয়ন ডলারের নিট বাজেট কমবে। এ আইনটি হোম কেয়ার অর্থায়নকে বহুমুখী কোণ থেকে প্রভাবিত করছে; এটি নতুন কাজের শর্ত আরোপ করছে, বছরে দুবার যোগ্যতার পুনর্নিরূপণ বাধ্যতামূলক করছে এবং প্রশাসনিক জটিলতা বাড়াচ্ছে। সিবিও-এর হিসাব অনুযায়ী, ১৯ থেকে ৬৪ বছর বয়সী সুস্থ ও সক্ষম প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য মাসে ৮০ ঘণ্টা কাজের যে নতুন শর্ত দেওয়া হয়েছে, তা থেকে হয়তো ৩২৬ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় হবে, তবে এর কারণে প্রায় ১০ থেকে ২০ লাখ প্রতিবন্ধী প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি তাদের স্বাস্থ্যসেবার আওতা থেকে বাদ পড়ে যেতে পারেন। এছাড়া, বছরে দুবার যোগ্যতার মূল্যায়নের ফলে ১৯১ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় হবে বলে ধারণা করা হলেও, এর কারণে রোগীদের নতুন করে অন্তর্ভুক্তিতে সমস্যা তৈরি হতে পারে এবং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সেবার আসন বা স্লটগুলো খালি পড়ে থাকতে পারে।

















