ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্ক স্টেটের ‘কনজিউমার ডিরেক্টেড পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্স প্রোগ্রাম’ (সিডিপ্যাপ)-কে একটি মাত্র আর্থিক মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠান, ‘পাবলিক পার্টনারশিপস এলএলসি’ (পিপিএল)-এর অধীনে রূপান্তর করার প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে নিউইয়র্ক স্টেট স্বাস্থ্য দফতর (ডিওএইচ) এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা করেছে মার্কিন বিচার বিভাগ (ডিওজে)।
নিউইয়র্কের ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট আদালতে গত মঙ্গলবার দায়ের করা এই মামলায় বিচার বিভাগ যুক্তি দিয়েছে, স্টেট স্বাস্থ্য দফতর একটি ‘প্রহসনের দরপত্র প্রক্রিয়া’ পরিচালনা করেছে এবং পাবলিক পার্টনারশিপস এলএলসিকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। মামলায় পিপিএলের বিরুদ্ধে ‘অননুমোদিত মুনাফা’ তৈরির মাধ্যমে মেডিকেইড তহবিল থেকে লাখ লাখ ডলার হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ‘সিডিপ্যাপ’ কর্মসূচির আওতায় নিউইয়র্কের যেসব মেডিকেইড গ্রাহক হোম কেয়ার পাওয়ার যোগ্য, তারা নিজেরাই নিজেদের ব্যক্তিগত পরিচর্যাকারী বা কেয়ারগিভার বেছে নেওয়া এবং নিয়োগ দেওয়ার সুযোগ পান।
ক্রমবর্ধমান মেডিকেইড ব্যয় নিয়ন্ত্রণে আনার প্রচেষ্টায় নিউইয়র্ক স্টেট ২০২৪ সালে এই সিডিপ্যাপ হোম কেয়ার কর্মসূচিকে আরো সুবিন্যস্ত করার উদ্যোগ নেয়। তবে স্টেটের এই মেডিকেইড নীতির পরিবর্তনটি শুরু থেকেই নানা সমস্যার মুখে পড়ে এবং পিপিএলের পক্ষে দরপত্রে কারচুপির অভিযোগ ওঠায় স্টেট আইনসভা এ নিয়ে তদন্তও শুরু করে।
মার্কিন অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাটর্নি জেনারেল কলিন ম্যাকডোনাল্ড এক বিবৃতিতে বলেন, ‘পিপিএলের সাথে নিউইয়র্কের এই গোপন চুক্তি করদাতাদের লাখ লাখ ডলারের ক্ষতি করেছে এবং অগণিত মেডিকেইড রোগীকে ভয়াবহ অনিশ্চয়তার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে। আজকের এই আইনি পদক্ষেপ মূলত এটিই মনে করিয়ে দেয়, করদাতাদের অর্থায়নে পরিচালিত কর্মসূচিগুলোকে জালিয়াতি ও দুর্নীতি থেকে রক্ষা করতে বিচার বিভাগ তার হাতে থাকা প্রতিটি হাতিয়ার ব্যবহার করছে।’
এদিকে, মঙ্গলবার বিকেলে এক বিবৃতিতে স্টেট স্বাস্থ্য দফতর এই মামলার তীব্র সমালোচনা করেছে।

















