ছবি: সংগৃহীত
ডিপার্টমেন্ট অফ কনজিউমার অ্যান্ড ওয়ার্কার প্রটেকশন-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, উবার ইটস এবং ডোরড্যাশ কর্মীদের বকশিশ বা টিপস বাবদ আয় ৫৫০ মিলিয়ন (৫৫ কোটি) ডলারেরও বেশি কমে গেছে। মূলত অ্যাপগুলোতে বকশিশ দেওয়ার পদ্ধতিতে পরিবর্তনের পর থেকেই এই ধস নামে।
২০২৩ সালের ডিসেম্বরে কার্যকর হওয়া নকশা পরিবর্তনের ফলে ব্যবহারকারীরা এখন কেবল চেকআউট বা অর্ডার (ক্রয়াদেশ) দেওয়ার পরেই বকশিশ দিতে পারেন, আগে যা অর্ডার করার সময়ই দেওয়া যেত। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যেসব অ্যাপ তাদের ইন্টারফেস বা পদ্ধতিতে কোনো পরিবর্তন আনেনি, সেগুলোতে বকশিশের পরিমাণ স্থিতিশীল রয়েছে।
ডিসিডব্লিউপি কমিশনার স্যামুয়েল লেভিন এক বিবৃতিতে বলেন, ‘আমাদের এই প্রতিবেদন উবার এবং ডোরড্যাশের একটি বিশাল কারসাজির মুখোশ উন্মোচন করেছে, যার মাধ্যমে তারা কর্মীদের পাওনা ৫৫০ মিলিয়ন ডলারের বেশি কমিয়ে দিয়েছে। সেই যুগের এখন অবসান ঘটেছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘মেয়র মামদানির শাসনামলে বিশ্বের বড় কর্পোরেশনগুলো শ্রমিক ও গ্রাহকদের ঠকিয়ে আর রেকর্ড মুনাফা করতে পারবে না। এই মাসেই কার্যকর হতে যাওয়া বকশিশ সংক্রান্ত নতুন আইন যদি এই কোম্পানিগুলো মেনে না চলে, তবে তাদের কঠোর পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।’
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, উবার ইটস এবং ডোরড্যাশে বর্তমানে ডেলিভারি প্রতি গড় বকশিশ মাত্র ০.৭৬ ডলার। অন্যদিকে, যেসব অ্যাপে চেকআউটের সময় বকশিশ দেওয়ার সুযোগ রয়েছে, সেখানে ডেলিভারি প্রতি গড় বকশিশ ২.১৭ ডলার।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই পরিবর্তনের ফলে একজন কর্মীর বছরে গড়ে প্রায় ৫,৮০০ ডলার আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।
ডিসিডব্লিউপি ২০২৩ সালের ডিসেম্বর থেকে একটি ‘ন্যূনতম মজুরি হার’ কার্যকর করা শুরু করেছে। সংস্থাটির দাবি, এরপর থেকে কর্মীদের মোট আয় ১.২ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে এবং এই শিল্পটি আরো প্রসারিত হয়েছে।

















