ছবি: সংগৃহীত
দ্বীনি কাজ সম্প্রসারণে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতি বিশুদ্ধ ঈমান আর কুরআন-হাদিসের জ্ঞানার্জনের দিকে বিশেষ নজর রাখার তাগিদ দিয়েছেন মুনা লং আইল্যান্ড চ্যাপ্টার আয়োজিত শিক্ষা বৈঠকে আলোচকবৃন্দ। গত ৩ মে রবিবার লং আইল্যান্ডের শেল্টাররক ইসলামিক সেন্টারে শিক্ষা বৈঠক এ তাগিদ করেন। চ্যাপ্টার সভাপতি আফজালুর নুর মুনের সভাপতিত্বে বৈঠক পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক ফয়েজ মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন।
বিষয় ভিত্তিক আলোচনা করেন মুনার সাবেক ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট আবু আহমেদ নূরুজ্জামান, ডা: সাইদুর রহমান চৌধুরী, ন্যাশনাল এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর আরমান চৌধুরী, মজলিশে শুরার সদস্য ও নাহারের চেয়ারম্যান ডা: আতাউল হক ওসমানী, নিউইয়র্ক নর্থ জোন সভাপতি মমিনুল ইসলাম মজুমদার, বিশিস্ট ব্যবসায়ী আবুল হোসেন। উপস্থিত ছিলেন মুনা নিউইয়র্ক নর্থ জোন সেক্রেটারী ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান।
আলোচকবৃন্দ বলেন, পরস্পর ভ্রাতৃত্ববন্ধন ও ইসলামের মৌলিক সৌন্দর্য্যকে তুলে ধরা প্রত্যেকটা ঈমানদারের নৈতিক দায়িত্ব। বর্তমান সমাজে দ্বীনি কাজ সম্প্রসারণে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতি বিশুদ্ধ ঈমান আর কুরআন-হাদিসের জ্ঞানার্জনের বিকল্প নেই। লং আইল্যান্ডে দাওয়াতে দ্বীনের পাশাপাশি সমাজ কল্যাণমূলক কাজ করা সময়ের দাবী উল্লেখ করে তারা বলেন, সমাজের প্রত্যেক শ্রেণীর লোকদের সাথে মিশে প্রমাণ করতে হবে আমরা দায়ী ইল্লাল্লাহের কাজ করছি। সমাজের চাহিদা কি তা চিহিৃত করে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে। প্রতিবেশীর সাথে রাখতে হবে সুসর্ম্পক, আর এটাই ইসলামের নৈতিক শিক্ষা। ইসলামী আন্দোলনের কাজকে অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌছঁতে হলে নৈতিক চরিত্র ও ঐক্যের শক্তি অর্জন করতে হবে। কোন অবস্থাতে দ্বীনি পরিবেশকে নষ্ট করা যাবেনা। সমাজের প্রত্যেক স্তরের লোকদের নিকট দরদ মন নিয়ে দাওয়াত দিতে হবে। সকল শ্রেণীর লোকদের কাছে ইসলামের সুমহান বাণী তুলে ধরার গুরুত্বারোপ বক্তারা বলেন “যেখানে মুসলমান সেখানে হালাকাহ্”। আর এটাই দুনিয়া ও আখেরাতে সফলতার অন্যতম মাধ্যম। মুমিনদের গুণাবলী তুলে ধরে তারা বলেন, মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কুরআনে কারীমের বিভিন্ন স্থানে মু’মিন, মুনাফিক, কাফিরদের পরিচয় ও গুণাবলীর বর্ণনা দিয়েছে। এই তিনটি শ্রেণীর নামে স্বতন্ত্রভাবে তিনটি সূরাও নাযিল করেছেন। আর সূরায়ে ফুরকানের সর্বশেষ কয়েকটি আয়াতের মধ্যে আল্লাহ তায়ালা মু’মিনের বিশেষ গুণাবলী সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন এবং এ সকল গুণে গুণবান মু’মনিদেরকে ‘ইবাদুর রহমান’ বা আল্লাহর খাস বান্দা বলে আখ্যা দিয়েছেন। বিপুল সংখ্যক ভাই ও বোনদের উপস্থিতিতে চ্যাপ্টার ও সাব-চ্যাপ্টারে দায়িত্বশীল পরিবর্তন আনা হয়।

















