ছবি: সংগৃহীত
টোল ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে যেসব চালক ইচ্ছাকৃতভাবে ভুয়া, বিকৃত বা ঢাকা দেওয়া নম্বর প্লেট (যা ‘ঘোস্ট প্লেট’ নামে পরিচিত) ব্যবহার করেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নিউ ইয়র্ক স্টেট থ্রুওয়েজুড়ে চারটি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এই অভিযানে মোট ২১৪টি গাড়ি জব্দ এবং ১,১০০টিরও বেশি মামলা (টিকিট জারি) দেওয়া হয়েছে বলে আজ ঘোষণা করেছেন গভর্নর ক্যাথি হোকুল।
নিউ ইয়র্ক স্টেট পুলিশের ‘ট্রুপ টি’ এবং ‘নিউ ইয়র্ক স্টেট থ্রুওয়ে অথরিটি’ যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে। চলতি বছরের প্রথমার্ধে ক্যাপিটাল, হাডসন ভ্যালি এবং ওয়েস্টার্ন নিউ ইয়র্ক অঞ্চলের ৫৭০ মাইল দীর্ঘ থ্রুওয়েজুড়ে এসব অভিযান চালানো হয়।
গভর্নর হোকুল বলেন, “এই ধরনের অভিযানের মূল উদ্দেশ্য হলো জননিরাপত্তা রক্ষা করা, টোল ফাঁকি দেওয়া ব্যক্তিদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখতে সাধারণ চালকরা যে টোলের টাকা দেন, তার সঠিক ব্যবহার সুনিশ্চিত করা। ‘ঘোস্ট প্লেট’-এর ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধ করতে আমরা থ্রুওয়ে অথরিটি এবং নিউ ইয়র্ক স্টেট পুলিশের সাথে কাজ চালিয়ে যাব।”
জব্দ করা গাড়িগুলোর মধ্যে যে ৩৮টি গাড়ির রেজিস্ট্রেশন থ্রুওয়ে অথরিটি স্থগিত করেছিল, সেগুলোর মালিকদের কাছে কর্তৃপক্ষের বকেয়া টোল ও জরিমানা বাবদ মোট ১,০৩,০০০ ডলার পাওনা ছিল। অভিযান পরিচালনার পর থেকে কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে ৭০,০০০ ডলারের বেশি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।
টোল ফাঁকি দিতে, ট্রাফিক ক্যামেরা এড়াতে এবং অনিবন্ধিত বা লাইসেন্সহীন গাড়ি চালানো বন্ধে ‘ঘোস্ট প্লেট’-এর বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের যে ধারাবাহিক লড়াই চলছে, এটি তারই একটি অংশ। ২০২৫ সালেও স্টেট পুলিশ ও থ্রুওয়ে অথরিটি রাজ্যজুড়ে সাতটি অভিযান পরিচালনা করেছিল। সে সময় পুলিশ মোট ৩১০টি গাড়ি জব্দ করে এবং ১,৭৪৯টি মামলা দেয়। সেই উদ্যোগের ফলে ৪২ জন গাড়ির মালিকের কাছে পাওনা ২,২৪,০০০ ডলারের মধ্যে ১,৩২,০০০ ডলারের বেশি (৫৯ শতাংশ) আদায় করতে পেরেছিল কর্তৃপক্ষ।

















