ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের ৭৩তম ও ৭৪তম স্ট্রিটে চালু হওয়া কমার্শিয়াল পার্কিং ব্যবস্থা স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রায় ছয় মাস আগে সিটি কর্তৃপক্ষ এ দুই স্ট্রিটের বিস্তীর্ণ অংশকে শুধুমাত্র বাণিজ্যিক যানবাহনের পার্কিংয়ের জন্য নির্ধারণ করে। এর ফলে সাধারণ ব্যক্তিগত গাড়ির জন্য পার্কিংয়ের সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি, ১১৫ ডলারের পার্কিং টিকিটের আশঙ্কায় অনেক ক্রেতা এখন এ এলাকায় গাড়ি নিয়ে আসতে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। ফলে রেস্টুরেন্টে খাবার খাওয়া, চা-নাস্তা করা কিংবা গ্রোসারির বাজার করতে আসা গ্রাহকের সংখ্যা কমে গেছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে ব্যবসায়ীদের আয়ে।ব্যবসায়ী মহলের অভিযোগ, পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে অনেক প্রতিষ্ঠান টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে। ইতোমধ্যে কয়েকটি পরিচিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লোকসান সামাল দিতে মালিকানা পরিবর্তন করেছে বলে স্থানীয়রা দাবি করছেন।
এদিকে, জ্যাকসন হাইটসের বাসিন্দারাও এ পার্কিং নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। গত ৩০ মে শনিবার প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক মিলাদ মাহফিল ও খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা কমার্শিয়াল পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান। এক পর্যায়ে তারা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে রাস্তায় অবস্থান নেন।
প্রতিবাদকারীরা স্থানীয় প্রশাসনের কাছে সাধারণ মানুষের জন্য পুনরায় পার্কিং সুবিধা চালুর দাবি জানান। তাদের মতে, এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো কিছুটা স্বস্তি ফিরে পাবে এবং এলাকার অর্থনৈতিক কার্যক্রম পুনরুজ্জীবিত হবে।অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তাদের মধ্যে ছিলেন শাকিল মিয়া, মো. আলম নোমান, দেওয়ান মনির, সারওয়ার খান বাবু, এজাজুল ইসলাম নাঈম এবং আমানত হোসেন। অনুষ্ঠানে পৃষ্ঠপোষকতা করেন অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী ও আব্দুল আজিজ।

















