ছবি: সংগৃহীত
ওয়াশিংটন-ভিত্তিক থিঙ্ক-ট্যাঙ্ক ‘ক্যাটো ইনস্টিটিউট’ তাদের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে ৭৫টি দেশের ওপর মার্কিন সরকারের গ্রিন কার্ড নিষেধাজ্ঞাকে মার্কিন অভিবাসন ব্যবস্থার ইতিহাসের বৃহত্তম জালিয়াতি হিসেবে অভিহিত করেছে, যার মোট পরিমাণ প্রায় এক বিলিয়ন ডলার।
প্রতিবেদনে অভিবাসন বিশেষজ্ঞ ডেভিড জে. বিয়ার পরিসংখ্যানের বরাত দিয়ে দাবি করেছেন যে, সরকার অভিবাসী এবং মার্কিন স্পনসরদের কাছ থেকে এমন সব সেবার জন্য ফি নিয়েছে যা তারা প্রদান করবে না। এটি মূলত প্রসেসিং ফি-র নামে একটি চুরি এবং এর মোট পরিমাণ পুরোদস্তুর স্তম্ভিত করার মতো।
প্রতিবেদনে এই জালিয়াতির পেছনে চারটি প্রধান নীতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে :
১. ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ৪০টি দেশের নাগরিকদের সব ধরনের ভিসার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।
২. ইউএসসিআইএস বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন এমন নির্দিষ্ট কয়েকটি দেশের নাগরিকদের অভিবাসন সুবিধা প্রদানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।
৩. স্টেট ডিপার্টমেন্ট ৭৫টি দেশের সব ধরনের অভিবাসী ভিসা আবেদনের প্রক্রিয়া স্থগিত করেছে।
৪. লে থাকা ডাইভারসিটি (ডিভি) ভিসা লটারির কোনো অনুমোদন না দেওয়া।
মূলত, নির্দিষ্ট দেশভিত্তিক সব ধরনের নিষেধাজ্ঞাই এই কথিত জালিয়াতির পেছনে দায়ী।

















