ছবি: সংগৃহীত
নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের ক্রমাগত দাম বাড়ায় সাধারণ পরিবারের বাজেট হিমশিম খাচ্ছে। গ্রীষ্মের ছুটিতে শিশুরা ঘরে থাকায় মা-বাবাদের ওপর আর্থিক চাপ আরো বেড়েছে।
পরিবারগুলোর এই আর্থিক চাপ কমাতে তাদের ‘সামার ফুড সার্ভিস প্রোগ্রাম’-এর মাধ্যমে পাশে দাঁড়িয়েছে সমাজসেবী সংস্থা ‘লং আইল্যান্ড কেয়ার্স’।
লং আইল্যান্ড কেয়ার্সের কর্মকর্তা সামান্থা সমার্স বলেন, ‘প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১,১০০ শিশু সকালের নাস্তা ও দুপুরের খাবার পাচ্ছে। যেসব শিশু স্কুল চলাকালে বিনামূল্যে বা কম মূল্যের খাবারের ওপর নির্ভর করত, এই ছুটির সময়ে তাদের পুষ্টিকর সকাল ও দুপুরের খাবার দেওয়াই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’
খাবার বহনের জন্য ব্যবহৃত তাদের ট্রাকটি সারাক্ষণই রাস্তায় থাকে এবং পুরো লং আইল্যান্ড জুড়ে অবস্থিত বিভিন্ন গ্রীষ্মকালীন ক্যাম্প ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে খাবার পৌঁছে দেয়।
‘বাচ্চারা সকালে বা দুপুরে কী খাবে, তা নিয়ে মা-বাবাদের আর চিন্তায় পড়তে হচ্ছে না,’ বলেন সমার্স।
এই গ্রীষ্মে সংস্থাটি ১৯টি ভিন্ন সংস্থায় খাবার পৌঁছে দিচ্ছে, যার মধ্যে ‘প্রন্টো অব লং আইল্যান্ড’-ও রয়েছে।
তাদের খাবার সরবরাহের একটি কেন্দ্র, সেন্টাররিচের ‘মিডল কান্ট্রি লাইব্রেরি’, সবার জন্য উন্মুক্ত। তবে অন্যান্য কেন্দ্রগুলো থেকে বিনামূল্যে খাবার পেতে হলে শিশুদের সেসব গ্রীষ্মকালীন প্রোগ্রামে নিবন্ধিত থাকতে হয়।
‘অনেক পরিবারই চরম দুর্দশার মধ্য দিয়ে দিন কাটাচ্ছে। এটি এখানকার প্রতিদিনের বাস্তব চিত্র, যা বাচ্চারা আমাদের কাছে এসে বলে। এখানে এসে খাবার পেলে তারা দারুণ উৎসাহিত ও আনন্দিত হয়,’ বলেন প্রন্টো অব লং আইল্যান্ডের এলিজাবেথ কর্ডেরো।
প্রন্টোর মতো সংস্থা এবং অভিভাবকদের জন্য এই বাড়তি সহায়তা অনেক বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে।
বে শোরের বাসিন্দা জর্জিয়া প্লামার বলেন, ‘এটি খুব সাহায্য করছে। শিশুদের জন্য তারা এখানে প্রচুর খাবার ও প্রয়োজনীয় জিনিস সরবরাহ করে।’
লং আইল্যান্ড কেয়ার্স জানিয়েছে, তাদের এ খাদ্য কর্মসূচিটি সরকারের ফেডারেল অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে।

















