ছবি: সংগৃহীত
নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলির-২০২৬ সালের ডেমোক্রেটিক প্রাইমারি নির্বাচনে চারজন বাংলাদেশি-আমেরিকান প্রার্থী অংশ নিলেও শেষ পর্যন্ত কেউই জয়ী হতে পারেননি। তবে এই নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় ছিলেন কুইন্সের ৩০তম ডিস্ট্রিক্টের প্রার্থী শামসুল হক, যিনি মাত্র ১৩ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়ে বাংলাদেশি কমিউনিটিকে একই সঙ্গে আশা ও আক্ষেপের গল্প উপহার দিয়েছেন।
এবারের নির্বাচনে কুইন্স থেকে তিনজন এবং ব্রঙ্কস থেকে একজন বাংলাদেশি-আমেরিকান প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তারা হলেন ডিস্ট্রিক্ট ৩০-এর শামসুল হক, ডিস্ট্রিক্ট ৩২-এর মোহাম্মদ মোল্লা, ডিস্ট্রিক্ট ৩৬-এর মেরি জোবাইদা এবং ব্রঙ্কসের ডিস্ট্রিক্ট ৮৭-এর জাকির চৌধুরী।
সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াই হয়েছে কুইন্সের ডিস্ট্রিক্ট ৩০-এ। সাবেক এনওয়াইপিডি ডিটেকটিভ ও কমিউনিটি নেতা শামসুল হক পেয়েছেন ২,৬৯০ ভোট (৪২.৪৬ শতাংশ)। বিজয়ী প্যাট্রিক মার্টিনেজ পেয়েছেন ২,৭০৩ ভোট (৪২.৬৬ শতাংশ)। দুই প্রার্থীর ব্যবধান মাত্র ১৩ ভোট।
ডিস্ট্রিক্ট ৩৬-এ মেরি জোবাইদা পেয়েছেন ১,৯৬৮ ভোট (১৭ শতাংশ)। বিজয়ী ডায়ানা মোরেনো পেয়েছেন ৯,০৫১ ভোট (৭৮.৩ শতাংশ)।
ডিস্ট্রিক্ট ৩২-এ প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশ নিয়ে মোহাম্মদ মোল্লা পেয়েছেন ৭৫৫ ভোট (১০.৮ শতাংশ)। সেখানে বিজয়ী নাথানিয়েল হেজেকিয়াহ পেয়েছেন ৩,৬১৭ ভোট (৫১.৯ শতাংশ)। প্রথম নির্বাচনে অংশ নিয়েও মোহাম্মদ মোল্লার প্রচারণা স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটিতে কিছুটা আলোচনার জন্ম দেয়।
ব্রঙ্কসের ডিস্ট্রিক্ট ৮৭-এ প্রথমবারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন জাকির চৌধুরী। তিনি পেয়েছেন ১,৬০৯ ভোট (২৮.১ শতাংশ)। বিজয়ী কারিনেস রেয়েস পেয়েছেন ৪,১০০ ভোট (৭১.৬ শতাংশ)। যদিও জয় পাননি, তবে ব্রঙ্কসে বাংলাদেশি-আমেরিকান কমিউনিটির উপস্থিতি তুলে ধরতে তার প্রার্থিতা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন অনেকেই।

















