বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪

সাপ্তাহিক নবযুগ :: Weekly Nobojug

খলিল বিরিয়ানির সাড়া জাগানো সেহরি পার্টি

হাবিব রহমান

প্রকাশিত: ০০:১৪, ৩১ মার্চ ২০২৪

খলিল বিরিয়ানির সাড়া জাগানো সেহরি পার্টি

ছবি: সংগৃহীত

গত শনিবার, ২৩ মার্চ রাতে অনুষ্ঠিত হলো কমিউনিটিতে সাড়া জাগানো শেফ খলিলের সেহরি পার্টি। ব্রংঙ্কসের খলিল বিরিয়ানি হাউজের ফুড কোর্টের সুপরিসর রুমে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য এই স্পেশাল সেহরির আয়োজন করা হয়। প্রেসিডেন্ট বাইডেন পদক এবং বৃটিশ কারী এ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত সেফ খলিল রাত জেগে নিজ হাতে রোজাদারদের সেবা দিতে সেহরি প্রস্তুত করেন। ওপেন বাফেটের সেহরির নানা ধরনের বৈচিত্রময় খাবারের আয়োজন ছিলো। ইলিশ ভাজা থেকে কয়েক পদের মাছের তরকারি, গরু, খাসি ভুনা, সাদা ভাত, পোলাও, নান, কলা, দুধ, নানা রকমের ফল, মিস্টি ইত্যাদি। ছিলো চা, কফিসহ নানা আয়োজন।

রেস্তোরাঁর দেয়ালে সাঁটানো ঘড়িতে তখন রাত দুটো। অথচ সন্ধ্যায় ইফতারের সময়ের যেমন জমজমাট অবস্থা থাকে, তেমনই দেখা গেল ব্রঙ্কসের খলিল ফুড কোর্টে। নানা বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে রীতিমতো গমগম করছিল সুপরিসর রেস্তোরাঁটি। পুরুষের পাশাপাশি নারীদের উপস্থিতিও ছিলো চোখে পড়ার মতো। কুইন্স, নর্থ ব্রঙ্কসসহ নানা এলাকার মানুষ ছুটে এসেছিলেন খলিলের সেহরি পার্টির মজাদার খাবার উপভোগ করার জন্য।

মিডিয়াকর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পরিচয় সম্পাদক নাজমুল আহসান, নবযুগ সম্পাদক শাহাব উদ্দিন সাগর, সাংবাদিক শাহেদ আলম, যমুনা টিভির বিশেষ প্রতিনিধি হাসানুজ্জামান সাকি, সাংবাদিক দিদার চৌধুরি, ইউএস অন লাইন সম্পাদক সাখাওয়াত সেলিম, সাংবাদিক এম বি তুশার, টাইম টিভির ব্রডকাস্ট ইঞ্জিনিয়ার সামিউল ইসলাম, তার সহধর্মিনি আশরাফি পলক, সাংবাদিক হাবিব রহমান প্রমুখ।

কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের মধ্যে ছিলেন স্বপরিবারে এডভোকেট এন মজুমদার, সিপিএ জাকির চৌধুরি, বাফার প্রেসিডেন্ট ফরিদা ইয়াসমিন, বিবিএ সাধারণ সম্পাদক এ ইসলাম মামুন, কমিউনিটি নেতা মোজাফফর হোসেন, কামরুজ্জামান বাবু, যুবলীগ নেতা জামাল হোসাইন, সুমন চৌধুরী, স্বপন তালুকদার, কারেকশন অফিসার কাজী রাশিদুল হাসান, কুষ্টিয়া জেলা সমিতির সাবেক সভাপতি আসাদুজ্জামান, জাসদ নেতা নুরে আলম জিকুসহ আরো অনেকে।

কুইন্স থেকে এসেছিলেন শো টাইম মিউজিকের আলমগীর খান আলম, কমিউনিটি একটিভিস্ট আহসান হাবিব, রিয়েলটর নুরুল আজিম, সঙ্গীত শিল্পী শাহ মাহবুবসহ অন্যান্যরা।

সিপিএ জাকির চৌধুরী জানান, কাজের চাপে আমি এ পর্যন্ত কোন ইফতার পার্টিতে অংশ নিতে পারেনি। তাই স্বতপ্রবৃত্ত হয়েই এই সেহরি পার্টিতে অংশ নিয়েছিলাম। আমি ভাবতেও পারিনি মধ্যরাতের এই অনুষ্ঠান এত জমজমাট হবে। কমিউনিটির সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহনে অনুষ্ঠানটি একটি মিলন মেলায় রুপ নিয়েছিলো। আর খলিল ভাইয়ের নিজ হাতের রান্না অনুষ্ঠানকে একটি নতুন মাত্রা দিয়েছে।
 
শেফ খলিল জানান, সেহরি  পার্টিতে যে অভাবনীয় সাড়া পেয়েছি তাতে আমি অভিভূত। আমি আগামীতেও আরো সেহেরি পার্টির আয়োজন করতে চাই। আগামীর এমনি আয়োজনে তিনি কমিউনিটির সর্বস্তরের মানুষের উপস্থিতি কামনা করেন। মধ্যরাত থেকে ভোরের আজান অবধি অতিথিরা চুটিয়ে আড্ডা দেন এই সেহরি পার্টিতে।

শেয়ার করুন: