বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪

সাপ্তাহিক নবযুগ :: Weekly Nobojug

খলিল বিরিয়ানির জ্যাকসন হাইটস শাখার উদ্বোধন

নবযুগ ডেস্ক 

প্রকাশিত: ২৩:০৪, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

খলিল বিরিয়ানির জ্যাকসন হাইটস শাখার উদ্বোধন

ছবি: সংগৃহীত

খলিল বিরিয়ানি নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে একটি পরিচিত রেস্টুরেন্টের নাম। বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকা ব্রঙ্কস থেকে যাত্রা শুরু। চারিদিকে খলিল বিরিয়ানির খাবারের সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়ার কারণে খলিল বিরিয়ানির শাখা সংখ্যা বেড়েছে। বাংলাদেশি অধ্যুষিত প্রায় প্রতিটি এলাকায় খলিল বিরিয়ানির শাখা খোলা হয়েছে। সর্বশেষ শাখা খোলা হয় জ্যামাইকায়। বাকি ছিল জ্যাকসন হাইটস। সেই জ্যাকসন হাইটসে ২১ ফেব্রুয়ারি বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় খলিল বিরিয়ানি হাউজের উদ্বোধন করা হয়। রুজভেল্ট অ্যাভিনিউ সাবওয়ের ঠিক উল্টোপাশে (৭৪-১০ ব্রডওয়ে) নিউইয়র্কের সুপরিচিত খলিল বিরিয়ানির ৫ম শাখার যাত্রা শুরু হয়। চমৎকার নান্দনিক সাজসজ্জার এই রেস্টুরেন্টটিতে ৩৫ জনের বসার ব্যবস্থা রয়েছে। জ্যাকসন হাইটসের ৭৩ স্ট্রিটের ভিড় ও জটলা এড়িয়ে দু’পা এগিয়ে নিরিবিলি পরিবেশে খাওয়া-দাওয়ার জন্য একটা আদর্শ পরিবেশ হবে বলে অনেকেই মনে করছেন। নিউইয়র্কসহ বাংলাদেশি অধ্যুষিত সব শহরেই খলিল বিরিয়ানি পরিচিত। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশি কমিউনিটিতে খলিল বিরিয়ানি একটি ব্যান্ডে পরিণত হয়েছে বলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কমিউনিটির বিশিষ্টজনরা জানান।

খলিল বিরিয়ানির স্বত্বাধিকারী শেফ খলিলুর রহমান বলেন, জ্যাকসন হাইটস প্রবাসী বাংলাদেশিদের ব্যবসা বাণিজ্য, সাহিত্য-সংস্কৃতি ও সভা-সমাবেশের প্রাণকেন্দ্র। সমগ্র আমেরিকার মধ্যে জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশিদের কাছে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। গত ৪ বছর ধরেই এই জ্যাকসন হাইটসে বাংলাদেশিদের সুস্বাদু, হালাল ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পরিবেশন করতে চেষ্টা করছিলাম।

তিনি আরো বলেন, এখানে বিরিয়ানিসহ বাংলাদেশি ঐতিহ্যবাহী খাবারের পাশাপাশি থাকবে হালাল মমসহ অন্যান্য বিদেশি খাবার। এজন্য ইতিমধ্যেই অভিজ্ঞ নেপালি শেফ নিয়োগ দিয়েছি। এখানে বৈচিত্র্যময় নানাবিধ হালাল খাবারের ব্যবস্থা থাকবে, যা থেকে গ্রাহকরা তাদের পছন্দের খাবারগুলো বেছে নিতে পারবেন। তিনি বলেন, নিউইয়র্কের ব্রঙ্কস, জ্যামাইকা, জ্যাকসন হাইটসের পর আমরা খুব শিগ্গিরই ওজন পার্কে আরো একটি শাখা খোলার প্রস্তুতি নেবো। আমরা প্রবাসী বাংলাদেশিদের আরো বেশি করে সেবা দিতে চাই। এজন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি। তিনি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আসার জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আশরাফুল হাসান বুলবুল। দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা শহীদুল্লাহ। বিভিন্ন মসজিদের ইমামরাও বক্তব্য রাখেন এবং মোনাজাতে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে কমিউনিটির বিভিন্ন স্তরের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন: