শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬

সাপ্তাহিক নবযুগ :: Weekly Nobojug

‘বিপজ্জনক যানবাহন বরদাশত করতে পারি না’

অবৈধ ই-বাইক নিয়ে  মামদানির হুঁশিয়ারি

নবযুগ রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৫:৪৭, ৭ আগস্ট ২০২৬

অবৈধ ই-বাইক নিয়ে  মামদানির হুঁশিয়ারি

ছবি: সংগৃহীত

অবৈধ ই-বাইক বিক্রেতাদের হুঁশিয়ার করে মেয়র মামদানি বলেছেন, ‘আমাদের নগরীর রাস্তায় আমরা এই ধরনের বিপজ্জনক যানবাহন বরদাশত করতে পারি না এবং করবও না।’ এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন।

তিনি জানান, নগরীর পাঁচটি বরোতেই অবৈধ ই-বাইক বিক্রি তিনি মেনে নেবেন না। বুধবার ৪০টিরও বেশি অনলাইন খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানে ‘কাজ বন্ধের নোটিশ’ পাঠিয়ে মেয়র কোম্পানিগুলোকে সতর্ক করে দেন।
বর্তমানে ই-বাইকের গতিসীমা ঘণ্টায় ১৫ মাইল। স্থানীয় আইন অনুযায়ী, ঘণ্টায় ২০ মাইলের বেশি গতির ই-স্কুটার এবং ২৫ মাইলের বেশি গতির ই-বাইক বিক্রি বা চালানো পুরোপুরি নিষিদ্ধ।
মামদানি বলেন, ‘তারা যে বাইকটি কিনছে তা নিরাপদ ও আইনি কি না, সেই দায়ভার এমন সাধারণ চাকরিজীবী নিউইয়র্কবাসীদের ওপর বর্তানো উচিত নয়, যারা কেবল যাতায়াতের জন্য একটি দ্রুত ও সাশ্রয়ী মাধ্যম খুঁজছেন। নিউইয়র্কের আইন অনুযায়ী কেবল অনুমোদনযোগ্য যানবাহনগুলোই আমাদের নগরীতে বিক্রি করা খুচরা বিক্রেতাদের দায়িত্ব।’
অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিটিয়া জেমস এবং নগরীর কর্পোরেশন কাউন্সিল স্টিভ ব্যাঙ্কসকে সাথে নিয়ে মামদানি জানান, আমাজনের মতো কোম্পানিগুলোর কাছে বিক্রি বন্ধ করার জন্য দুই সপ্তাহ সময় আছে, অন্যথায় প্রতি বিক্রির জন্য ২,০০০ ডলার পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হবে।
আমাজনের একজন মুখপাত্র এনওয়াই১-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন : ‘নিরাপত্তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং আমাদের স্টোরে বিক্রি হওয়া ই-বাইকগুলোকে প্রযোজ্য নিরাপত্তা মানদ- ও আমাজনের নীতি মেনে চলতে হয়। আমরা বিতর্কিত পণ্যগুলো খতিয়ে দেখছি এবং মেয়র ও সিটি কাউন্সিলের সাথে যৌথভাবে কাজ করার আশা রাখছি।’
সিটি হলের কাছে একটি এসইউভি-এর সাথে সংঘর্ষে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরের মৃত্যুর এক সপ্তাহ পর এই প্রয়োগকারী পদক্ষেপটি নেওয়া হলো। পুলিশ সূত্রের খবর অনুযায়ী, গ্যাব্রিয়েল নাকাটো নামের ওই কিশোর একটি অবৈধ ই-বাইক চালাচ্ছিল।
ডেলিভারি কর্মীদের একটি অধিকার রক্ষা সংগঠন ‘ডেলিভেরিসতাস উনিদোস’ এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছে। সংগঠনটি উল্লেখ করেছে, অবৈধ ই-বাইকগুলো সাধারণত ডেলিভারি কর্মীরা ব্যবহার করেন না।
মামদানির মতে, এই প্রচেষ্টার মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষের জীবন বাঁচানো।
নোটিশ পাঠানোর পাশাপাশি, অবৈধ বিক্রি বন্ধে একটি কার্যকর পরিকল্পনা তৈরির লক্ষ্যে নগরীর পরিবহন, আইন ও পুলিশ বিভাগের সাথে বৈঠকে বসার জন্য খুচরা বিক্রেতাদের প্রতি আহ্বান জানান মামদানি।
 

শেয়ার করুন: