
ছবি: সংগৃহীত
অভিবাসন আইন কার্যকর করার দায়িত্বে নিয়োজিত আইসে নতুন নিয়োগের জন্য বয়সসীমা প্রত্যাহার করে নিয়েছে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্ট-ডিএইচএস। কংগ্রেসের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রাপ্তির পর নিয়োগ কার্যক্রম বাড়ানোর লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
তারা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ‘আরো দেশপ্রেমিকরা যাতে আইসিইতে যোগ দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন’ করতে পারে, সেজন্য বয়সসীমায় ছাড়া দেওয়া হচ্ছে।
এই প্রতিষ্ঠানটি এখন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যাপক ডিপোর্টেশন এজেন্ডা বাস্তবায়নের প্রধান কাজটি করছে। আর চলতি সামারের প্রথম দিকে কংগ্রেস একটি ব্যয় বিল পাস করে আইসকে আরো ১০ হাজার কর্মী নিয়োগের অনুমতি দিয়েছে।
বর্তমানে আইসিইতে ২১ থেকে ৩৭ বা ৪০ বছর (কোন পদে নিয়োগ পেতে চান তার ভিত্তিতে) বয়সীরা আবেদন করতে পারেন।
ফক্স অ্যান্ড ফ্রেন্ডসের সাথে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি ক্রিস্টি নোয়েম বলেন, আবেদনকারীদের বয়স ১৮ হতে পারে।
তিনি বলেন, বয়স কোনো ব্যাপার না। কেউ ১৮ বছর বয়সেও আবেদন করতে পারে। আমরা প্রশিক্ষণ দিয়ে তাকে তৈরী করে নেব।
সংস্থাটি জানিয়েছে, সকল রিক্রুটকে মেডিক্যাল ও ড্রাগ পরীক্ষা এবং শারীরিক ফিটনেস পরীক্ষায় পাস করতে হবে।
সংস্থাটি বয়সসীমা তুলে দেওয়ার বিজ্ঞপ্তিটি সামাজিক মাধ্যমে বেশ উদ্দীপ্তভাবে প্রচার করেছে। তারা বলেছে, অভিবাসন আইন কার্যকর করার বিষয়টি কেবল দেশপ্রেমের কাজই নয়, একইসাথে এটি বীরত্বপূর্ণ এবং এমনকি সিনেমাটিক কাজও।
রিক্রুটিং পোস্টারের মতো দেখতে একটি পোস্টে এক তরুণ এবং এক বয়স্ক লোকের ছবি দেখানো হয়। এতে উভয়কেই সামরিক ধরনের ট্যাকটিক্যাল সরঞ্জাম ও অস্ত্র ধারণ করতে দেখা যায়। আর ক্যাপশনে লেখা ছিল : ‘এখন আইসিইতে যোগ দিতে বয়স কোনো বাধা নয়।’ এতে আরো লেখা ছিল, ‘আমরা বাবা/ছেলে বন্ধনকে সম্পূর্ণ নতুন মাত্রায় নিয়ে যেতে চাই।’
আইস এর আগে ডিপোর্টেশন অফিসার, তদন্তকারী এবং আইনজীবী নিয়োগ করার কথা জানিয়েছিল।
আইসিইতে যোগ দিতে আগ্রহ সৃষ্টির জন্য সংস্থাটি ব্যাপক আর্থিক সুবিধা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। নতুন রিক্রুটদের ৫০ হাজার ডলার বোনাস, স্টুডেন্ট লোন মওকুফ করা, অঢেল ওভারটাইম বিলের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।