ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী ও পুলিশ সদস্যদের অধিকতর মোতায়েন, বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের জন্য আরও নেতৃত্বস্থানীয় পদে নিয়োগ এবং বিশেষায়িত পুলিশ ইউনিট পাঠানোর ক্ষেত্রে আহ্বান জানিয়েছেন।
গত ৬ জুলাই জাতিসংঘের দুইজন আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেলের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে তিনি বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের শান্তিরক্ষা অবদান, পেশাগত সক্ষমতাএবং ভবিষ্যৎ প্রস্তুতির কথা তুলে ধরে এ আহ্বান জানান।
শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল জ্যঁ-পিয়েরে ল্যাক্রোয়ার সঙ্গে বৈঠকে তিনি পিস কিপিং ক্যাপাবিলিটি রেডিনেস সিস্টেমের আওতায় বাংলাদেশের একটি ফর্মড পুলিশ ইউনিটকে (এফপিইউ) র্যাপিড ডিপ্লয়ম্যান্ট লেভেল এ উন্নীতকরণ, আরও বেশি সংখ্যক বাংলাদেশি অফিসারদের মোতায়েন এবং বর্তমান বা ভবিষ্যৎ শান্তিরক্ষা মিশনে একটি বাংলাদেশি এফপিইউ বিবেচনার অনুরোধ জানান। একই সঙ্গে তিনি জাতিসংঘ সদর দপ্তর ও ফিল্ড মিশনে বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের জন্য আরও নেতৃস্থানীয় ও পেশাগত পদে নিয়োগের আহ্বান জানান।
আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেলজ্যঁ-পিয়েরে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের ধারাবাহিক অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবংপ্রশিক্ষিত ও দক্ষ পুলিশ সদস্য পাঠাতে বাংলাদেশের প্রস্তুতিকে স্বাগত জানান। তিনি বহুপাক্ষিক কূটনীতিতে বাংলাদেশের সক্রিয় ও গঠনমূলক ভূমিকারও প্রশংসা করেন। পৃথক বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘের অপারেশনাল সাপোর্ট বিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল অতুল খারের সঙ্গে হাইতিতে বাংলাদেশ পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট মোতায়েন, সরঞ্জাম, পরিবহন, রি-ইম্বার্সমেন্ট, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার এবং নারী শান্তিরক্ষীদের জন্য সহায়ক অবকাঠামো এবং লজিস্টিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন। অতুল খারে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষা মিশনের জন্য প্রয়োজনীয় অপারেশনাল সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।
তিনি শান্তি প্রতিষ্ঠা ও জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন। জাতিসংঘ সদর দপ্তরে পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও জাতিসংঘের শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে পৃথক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বৈঠকগুলোতে মাদক দমন, আইন-শৃঙ্খলা সহযোগিতা, অভিবাসন, মানবপাচার প্রতিরোধ, রোহিঙ্গা সংকট এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশন এ তথ্য জানায়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণবিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী সৈয়দ মহসিনের সঙ্গে বৈঠকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ ও সামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি পাকিস্তানে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র (সিএনআইসি) পেতে যে মানবিক জটিলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে, সে বিষয়টিও তুলে ধরেন।
ভিয়েতনামের জননিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী সিনিয়র লেফটেন্যান্ট জেনারেল নগুয়েন ভ্যান লংয়ের সঙ্গে বৈঠকে অভিবাসন ব্যবস্থাপনা, কনস্যুলার সহযোগিতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং মানবপাচার ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ দমনে সহযোগিতা জোরদারের বিষয় গুরুত্ব পায়। এ সময় ভিয়েতনামের উপমন্ত্রী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা ও শান্তিনির্মাণ কার্যক্রমে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অবদানের প্রশংসা করেন এবং আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ দমনে দুই দেশের সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
জাতিসংঘের রাজনৈতিক ও শান্তিনির্মাণবিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল রোজমেরি এ. ডি-কার্লোর সঙ্গে বৈঠকে সালাহউদ্দিন আহমদ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার তুলে ধরেন। একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও টেকসই প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও জোরালো ও কার্যকর সহায়তা কামনা করেন। রোজমেরি এ. ডি-কার্লো জাতিসংঘে বাংলাদেশের গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশের অব্যাহত অবদানকে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন।
পাকিস্তান ও ভিয়েতনাম নেতৃবৃন্দের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক
পাকিস্তানের ফেডারেল মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন নকভির সঙ্গে বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ এবংসামগ্রিক আইন-শৃঙ্খলা সহযোগিতা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি পাকিস্তানে বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পাকিস্তানি নাগরিকদের ন্যাশনাল আইডেন্টিটি কার্ড প্রাপ্তিতে সম্মুখীন মানবিক জটিলতার বিষয়টিও উত্থাপন করেন। বৈঠকে দুই মন্ত্রী চলমান মধ্যপ্রাচ্য সংকটের ফলে জ্বালানি নিরাপত্তা, বাণিজ্য এবংআঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর সম্ভাব্য প্রভাবসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্নবিষয় নিয়েও আলোচনা করেন। তাঁরা উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানেরসক্ষমতা বৃদ্ধি ও এ ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়েও আলোচনা করেন। ভিয়েতনামেরউপমন্ত্রী নগুয়েন ভ্যান লংয়ের সঙ্গে বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অভিবাসন ব্যবস্থাপনা, কনসুলার সহযোগিতা জোরদার, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবংমানবপাচার ও আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ দমনে সহযোগিতার বিষয়গুলো তুলে ধরেন। ভিয়েতনামের উপমন্ত্রী জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা ও শান্তিনির্মাণ কার্যক্রমে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অবদানের প্রশংসা করেন। তিনি আন্তঃরাষ্ট্রীয় অপরাধ দমন এবং অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা সহযোগিতার ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যেসম্পৃক্ততা অব্যাহত রাখার বিষয়ে ও গুরুত্বারোপ করেন। আন্ডার-সেক্রেটারি-জেনারেল রোজমেরি এ.ডি-কার্লোর সঙ্গে বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী শান্তিরক্ষা ও শান্তি নির্মাণে বাংলাদেশের অগ্রাধিকার তুলে ধরেন। তিনি রোহিঙ্গাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের টেকসই ওজোরালো সহায়তার আহব্বান জানান। ডি-কার্লো জাতিসংঘে বাংলাদেশের গঠনমূলক ওদায়িত্বশীল ভূমিকা এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় বাংলাদেশেরঅব্যাহত অবদানের প্রশংসা করেন।
বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ পুলিশ বিশ্বস্ত অংশীদার : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে জাতিসংঘের ডিপার্টমেন্ট অব পিস অপারেশনস (ডিওপি)-এর আন্ডার-সেক্রেটারি জেনারেল জঁ-পিয়েরে লাক্রোয়া দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন। জাতিসংঘ সদর দপ্তরে স্থানীয় সময় সোমবার ১১টায় গুরুত্বপূর্ণ এ বৈঠকে উভয় পক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ পুলিশের অবদান, দ্রুত নিয়োজন সক্ষমতা যাচাই (আরডিএল ভেরিফিকেশন), কঙ্গো মিশন থেকে বাংলাদেশি নারী এফপিইউ-এর প্রত্যাহারের প্রেক্ষিতে নতুন মিশনে প্রতিস্থাপন, জাতিসংঘ সদর দপ্তর ও মাঠপর্যায়ে নীতিনির্ধারণী পদে বাংলাদেশিদের নিয়োগ, আইপিও ডেপ্লয়মেন্ট এবং ভবিষ্যতের বিশেষায়িত সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। শান্তিরক্ষা মিশনের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে বাংলাদেশের অবদান বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জাতিসংঘ সদর দপ্তর এবং মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন মিশনগুলোর শীর্ষ নেতৃত্ব ও বিশেষায়িত পেশাদার পদে (পি-লেভেল এবং ডি-লেভেল) যোগ্য ও দক্ষ বাংলাদেশি পুলিশ কর্মকর্তাদের আরও বেশি সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ শান্তি মিশনের পরিবর্তিত চাহিদাকে ধারণ করতে সক্ষম এমন অত্যন্ত যোগ্য পুরুষ ও নারী কর্মকর্তা দিতে সর্বদা প্রস্তুত। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের দীর্ঘদিনের এক বিশ্বস্ত ও পরীক্ষিত অংশীদার। এ পর্যন্ত ২৬টি দেশের ২৭টি শান্তিরক্ষা মিশনে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে বাংলাদেশ পুলিশ। তিনি বলেন, অন্যতম শীর্ষ পুলিশ অবদানকারী দেশ (পিসিসি) হিসেবে বর্তমান এবং ভবিষ্যতের যেকোনো বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ পুলিশের পেশাদারিত্ব ও কার্যকারিতা বাড়াতে নানামুখী বিনিয়োগ ও উচ্চতর প্রশিক্ষণ অব্যাহত রয়েছে। মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের দ্রুত সাড়াদানের সক্ষমতাকে আরও জোরদার করতে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য দুটি ফর্মড পুলিশ ইউনিটের (এফপিইউ) র?্যাপিড ডেপ্লয়মেন্ট লেভেল (আরডিএল) যাচাইকরণের প্রস্তাব ইতোমধ্যে জাতিসংঘ পুলিশ বিভাগে জমা দেওয়া হয়েছে। ইউনিট দুটি জাতিসংঘের মানদ- অনুযায়ী আধুনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম, নিজস্ব রসদ ব্যবস্থাপনা এবং দক্ষ জনবলে সম্পূর্ণ সুসজ্জিত। মন্ত্রী এই যাচাইকরণ প্রক্রিয়াটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে ডিপার্টমেন্ট অব পিস অপারেশনসের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন। বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে কঙ্গোর মোনুস্কো মিশন থেকে গত অক্টোবর ২০২৫ এ স্বল্প সময়ের নোটিসে ১৮০ সদস্যের বাংলাদেশি নারী এফপিইউ প্রত্যাহারের বিষয়টি উত্থাপন করেন। তিনি উল্লেখ করেন, অন্যান্য মিশন যেমন সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক বা দক্ষিণ সুদানে বিভিন্ন দেশের মধ্যে আনুপাতিক হারে কমানো হলেও, কঙ্গোতে কেবল বাংলাদেশের পুরো ইউনিটটি প্রত্যাহার করা হয়েছে, যা সমতা ও ন্যায্যতার নীতি পরিপন্থি। বৈশ্বিক শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দক্ষিণ সুদান, আবেয়ি বা সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিকে একটি নতুন বাংলাদেশি এফপিইউ মোতায়েনের জন্য তিনি আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেলকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানান। জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জঁ-পিয়েরে লাক্রোয়া বিশ্ব শান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের পুলিশ সদস্যদের বীরত্বপূর্ণ অবদান, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি কঙ্গো মিশনের ভারসাম্য ও সমতার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন এবং বাংলাদেশের উত্থাপিত যুক্তিসংগত দাবিগুলো পূরণে ও বিশেষায়িত পুলিশ দল গঠনে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। বৈঠকে জানানো হয়, ২০২৪ সালের জুন মাসে অনুষ্ঠিত সিলেকশন অ্যাসেসমেন্ট অ্যান্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট টিম (স্যাট) পরীক্ষায় ১০৭ জন কর্মকর্তা উত্তীর্ণ হলেও এখনো ৮৫ জন কর্মকর্তা নিয়োজনের অপেক্ষায় আছেন। সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক ও কঙ্গোতে বাংলাদেশি ইন্ডিভিজুয়াল পুলিশ অফিসারের (আইপিও) সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায়, সেখানে ফ্রেঞ্চ ও ইংরেজি ভাষায় দক্ষ এবং অপেক্ষমাণ কর্মকর্তাদের দ্রুত পদায়নের অনুরোধ জানানো হয়। একই সঙ্গে, বর্তমান তালিকার মেয়াদ আগামী ডিসেম্বরে শেষ হতে চলায়, আগামী সেপ্টেম্বরের শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশে পরবর্তী ‘স্যাট’ পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে জানিয়ে জাতিসংঘের প্রতিনিধিদলকে সময়োচিত সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়।

















