ছবি - নবযুগ
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের (বীরোত্তম) ৪৫তম শাহাদৎ বার্ষিকী স্মরণে বিগত কয়েক বছরের মতো এবছরও কুইন্সের জ্যামাইকায় দোয়া মাহফিল ও তবারক হিসেবে খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
২৯মে শুক্রবার বাদ জুমা স্থানীয় হিলসাইড এভিনিউ ও ১৬৮ স্ট্রীটের কর্ণারে জ্যামাইকাবাসীর উদ্যোগে এই কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়। এদিন ২ হাজারোধিক লোকের জন্য খাবার বিতরণ করা হয় বলে আয়োজকরা জানান। উল্লেখ্য, ১৯৮১ সালের এই দিনে রাষ্ট্রপতি জিয়া চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে অবস্থানকালে কতিপয় বিপথগামী সেনা কর্মকর্তার ব্রশফায়ারে নিহত হন।
ব্যতিক্রমী এই অনুষ্ঠানে বিশেষ দোয়া মুনাজাত পরিচালনা করেন জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টার (জেএমসি)-এর খতিব ও ইমাম মাওলানা মির্জা আবু জাফর বেগ। দেয়া মুনাজাতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বিদেহী আতœার মাগফেরাত কামনা এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু এবং দেশ ও জাতির কল্যান কামনা করা হয়। এছাড়াও বড় পর্দার মাধ্যমে ভিডিও স্লাইডে শহীদ জিয়ার সংক্ষিপ্ত জীবনী সম্প্রচার করা হয়। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন কমিউনিটি নেতা ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার ও মোহাম্মদ কাশেম।
দোয়ার আগে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবাদুল লতিফ স¤্রাট ও গিয়াস আহমেদ, ডা. ওয়াদুদ ভূইয়া, সাপ্তাহিক বাংলাদেশ সম্পাদক ওয়াজেদ এ খান, বিশিষ্ট রাজনীতিক জসিম ভূইয়া, ফয়েজ চৌধুরী, আশা হোম কেয়ারের কর্ণধার আকাশ রহমান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তোফায়েল চৌধুরী লিটন, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট আনিসুল কবীর জাসীর, ফারুক হোসেন মজুমদার, অনুষ্ঠান আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক বেলাল চৌধুরী, চেয়ারম্যান আল আমীন সুমন, সদস্য সচিব ফারুক হোসেন রনি, প্রধান সমন্বয়কারী মোহাম্মদ খলকুর রহমান।
অনুষ্ঠানে বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বক্তারা তাঁকে একজন সৎ, দেশপ্রেমিক ও বিশ্বের অন্যতম নন্দিত রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে উল্লেখ করেন। বক্তারা বলেন, যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন জিয়াউর রহমান মানুষের মাঝে বেঁচে থাকবেন। পাশাপাশি জ্যামাইকাবাসীদের সর্বজনীন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। বক্তারা এই আয়োজন সফল করতে যারা সহযোগিতা করেছেন তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান। এছাড়াও আয়োজক কমিটির কর্মকর্তারা আগামী দিনে আরো বৃহৎ পরিসরে অনুষ্ঠান আয়োজনের কথা জানান।
অনুষ্ঠানে দেশী-বিদেশী সর্বস্তরের মানুষের মাঝে তবারক বিতরণ করা হয়। তারা লাইন দাঁড়িয়ে খাবার সংগ্রহ করেন এবং স্থানীয় একটি মিলনায়তনে বসে খাবার গ্রহণ করেন। বাদ জুম্মা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত এই কর্মসূচী চলে।
অনুষ্ঠানে কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে জেএমসি’র সাবেক সেক্রেটারী আফতাব মান্নান, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতা আব্দুস সবুর, ভিপি জসিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
জ্যামাইকাবাসী আয়োজিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদৎ বার্ষিকী স্মরণ অনুষ্ঠান সফল করতে আরো যারা বিশেষ ভূমিকা পালন করেন তাদের মধ্যে রয়েছেন- আয়োজক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক যথাক্রমে আশরাফুজ্জামান আশরাফ, মোহাম্মদ আই খান সুলতান, এসএম ফরমান হোসেন, আমিরুল ইসলাম আমির, মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, রিপন মিয়া ও আলম সরকার, কো চেয়ারম্যান আকিব হোসেন ও মনিরুল ইসলাম মনির, যুগ্ম সদস্য সচিব যথাক্রমে সাইদুল ইসলাম রিয়াদ, মুন্সী জুলফিকার উদ্দিন রুবায়েত, জাকির হোসেন সরদার ও ওয়াহিদ উজ্জল, সমন্বয়কারী যথাক্রমে ইঞ্জিনিয়ার মাইনুদ্দীন মিয়াজী, মিজানুল রহমান রুবেল, খাদেমুল ইসলাম রুবেল ও মোস্তাক আহমেদ।

















