ছবি: সংগৃহীত
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের উদ্যোগে নিউইয়র্কে এক স্মারক সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর স্থায়ী প্রতিনিধি, কূটনীতিক, জাতিসংঘ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী। তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জনগণের সম্মিলিত আকাঙ্ক্ষার ঐতিহাসিক বহিঃপ্রকাশ ছিল জুলাই গণঅভ্যুত্থান। একটি শান্তিপূর্ণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে এ গণঅভ্যুত্থান জাতির দৃঢ় অঙ্গীকার ও ঐক্যবদ্ধ সংকল্পের প্রতীক বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
রাষ্ট্রদূত সরকারের ‘থ্রি-আর’ কৌশল—রিকভারি (জবপড়াবৎু), রেস্টোরেশন (জবংঃড়ৎধঃরড়হ) ও রিকনস্ট্রাকশন এর বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, এ কৌশলের মাধ্যমে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি আরও সুসংহত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও মূলনীতির প্রতি বাংলাদেশের অবিচল অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদারের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্রও প্রদর্শন করা হয়। এতে আন্দোলনের পটভূমি, এর তাৎপর্য এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

















