ছবি: সংগৃহীত
ইরান যুদ্ধের ফলে জেট ফুয়েলের (বিমানের জ্বালানি) দাম দ্বিগুণ হয়ে যাওয়ায় ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স এই গ্রীষ্মে, যা তাদের ব্যস্ততম মৌসুম, ভাড়া ১৫% থেকে ২০% বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। ফলে জ্বালানির এই বাড়তি খরচের বোঝা এখন ভ্রমণকারীদেরই বইতে হবে।
বুধবার সিএনবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইউনাইটেড এয়ারলাইন্সের সিইও স্কট কিরবি জানান, যাত্রীরা এখনো আকাশছোঁয়া ভাড়া দিয়ে ভ্রমণ করতে আগ্রহী, এমনটি দেখার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, শ্রম ব্যয়ের পরেই জ্বালানি হলো এয়ারলাইন্সগুলোর সবচেয়ে বড় খরচ, আর ইরানের সাথে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই জেট ফুয়েলের দাম দ্বিগুণ হয়েছে।
জ্বালানির মূল্য বাড়া সত্ত্বেও ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স গত প্রান্তিকে এক বছর আগের তুলনায় বেশি মুনাফা করেছে, যা ওয়াল স্ট্রিটের প্রত্যাশাকেও ছাড়িয়ে গেছে। কিরবি জানান, টিকিটের ব্যাপক চাহিদার কারণে প্রথম প্রান্তিকে ইউনাইটেড জ্বালানির বর্ধিত খরচের ৪০% থেকে ৫০% অংশ পুনরায় তুলে আনতে সক্ষম হয়েছে।
সিএনবিসি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স খরচ কমাতে এ বছর তাদের নির্ধারিত ফ্লাইটের সংখ্যাও কমিয়ে আনছে। ফ্লাইটের সংখ্যা বা সক্ষমতা কমে গেলে বাজারে আসন সংখ্যা সীমিত হয়ে পড়ে, যা বিমান ভাড়া আরো বাড়িয়ে দিতে পারে।
ব্লুমবার্গের সাথে আলাদা এক সাক্ষাৎকারে কিরবি বলেন, ‘বর্তমানে (ভ্রমণের) চাহিদা অবিশ্বাস্য রকম শক্তিশালী।’ তবে তিনি ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন যে তেলের দাম সম্ভবত খুব বেশিদিন ‘চড়া’ থাকবে না।

















