বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪

সাপ্তাহিক নবযুগ :: Weekly Nobojug

৯০ দিনের মধ্যে কার্যকরের ঘোষণা মেয়র এডামসের

নিউইয়র্কের সাবওয়েতে বসছে গান ডিটেক্টর

নবযুগ ডেস্ক 

প্রকাশিত: ০২:০০, ৩১ মার্চ ২০২৪

নিউইয়র্কের সাবওয়েতে বসছে গান ডিটেক্টর

প্রতীকী ছবি

নিউইয়র্ক সিটি মেয়র এরিক অ্যাডামস এবং এনওয়াইপিডি কমিশনার অ্যাডওয়ার্ড ক্যাবন সাবওয়ে গান স্ক্যানার পাইলট কর্মসূচি চালুর ঘোষণা দিয়েছেন। একইসাথে তারা সাবওয়ে সিস্টেমে ক্লিনিসিয়ানের সংখ্যা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন।

অ্যাডামস বলেন, ‘নিউইয়র্ক যে আমেকিরার বড় নগরীগুলোর মধ্যে সবচেয়ে নিরাপদ, সে ব্যাপারে নিউইয়র্কের বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করার জন্য সাবওয়েগুলো সুরক্ষিত রাখা হচ্ছে।’

নগরী ইভোলভ টেকনোলজির অস্ত্র শনাক্তকরণ ব্যবস্থা মোতায়েন করছে। এই সিস্টেমটি মেট, লিংকন সেন্টার এবং আমেরিকান মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিস্টোরিও ব্যবহার করে।

অ্যাডামস বলেন, ৯০ দিনের মধ্যে ডিটেক্টরগুলো বসানো হবে। এদিকে নিউইয়র্ক পুলিশ অন্যান্য ডিটেকশন সরঞ্জামের ব্যাপারে ভেন্ডরদের সাথে কথা বলবেন। অপরাধীদের প্রতিরোধ করার জন্য বেসরকারি শিল্পকে এগিয়ে আসার ওপর তিনি জোর দেন।

অ্যাডামস বলেন, আমরা বন্দুক এবং অন্যান্য বিপজ্জনক অস্ত্র শনাক্ত করার জন্য প্রযুক্তির সহায়তা গ্রহণ করতে যাচ্ছি।

তবে মেয়র একইসাথে নিউইয়র্কের বাসিন্দাদের আশ্বস্ত করেন যে এই প্রযুক্তি তাদের প্রাইভেসিতে কোনো ধরনের ব্যাঘাত ঘটাবে না।
তিনি বলেন, ‘এই প্রযুক্তি ব্যবহারের ব্যাপারে আমাদেরকে অবশ্যই স্বচ্ছ থাকতে হবে। চেহারা শনাক্তকরণের কোনো ব্যবস্থা থাকবে না। বায়োমেট্রিক্স থাকবে না। আপনাকে শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হতে পারে, এমন কিছুই থাকবে না।’

তবে লিগ্যাল অ্যাইড সোসাইটির ডিজিটাল ফরেনসিক্স ইউনিটের সুপারভাইজিং অ্যাটর্নির জেরোম গ্রেকো নতুন সাবওয়ে বন্দুক শনাক্তকরণ ব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এই ব্যবস্থাটি ভুয়া সতর্কঘণ্টা বাজাতে পারে। এর ফলে আতঙ্ক এবং প্রাণহানির শঙ্কা থেকে যায়।

তিনি বলেন, সর্বরোগ নিরাময়ের জন্য প্রশাসন যেভাবে প্রযুক্তির সহায়তা নিচ্ছে, তা জননিরাপত্তায় বিঘœ সৃষ্টি করতে পারে। তাছাড়া এগুলো ব্যয়বহুল আবার প্রাইভেসিতেও ব্যাপকভাবে আঘাত হানা হয়।

নিউইয়র্ক সিটিতে অস্ত্রের ব্যবহার ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায় পুলিশের জব্দ করার পরিসংখ্যান দেখে। চলতি বছরের ২৪ মার্চ পর্যন্ত নিউইয়র্ক পুলিশ ৪৫০টি অস্ত্র, ১৯টি অবৈধ বন্দুক জব্দ করেছে। গত বছরের একই সময়ের চেয়ে তা ২৬১টি অস্ত্র এবং ৯টি বন্দুক বেশি। ২০২৩ সালে মোট ১,৫১৫টি অস্ত্র, ১,৪৭০টি অত্যাধুনিক সরঞ্জাম, ৪৫টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র জব্দ করা হয়। এই সংখ্যাটি আবার ২০২২ সালের চেয়ে বেশ বেশি। ওই সময় মোট ৯৪৭টি অস্ত্র, ৯১২টি অত্যাধুনিক হাতিয়ার, ৩৫টি বন্দুক জব্দ করা হয়।

শেয়ার করুন: