বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪

সাপ্তাহিক নবযুগ :: Weekly Nobojug

অভিবাসী সঙ্কটে নাকানি-চুবানি খাচ্ছে নিউইয়র্ক সিটি

নবযুগ রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২১:৫৬, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩

অভিবাসী সঙ্কটে নাকানি-চুবানি খাচ্ছে নিউইয়র্ক সিটি

ফাইল ছবি

চালুনি বলে, ছুঁচ (সুই) তুমি কেন ছেদা (ছিদ্র)! ঢলের মতো আসা অভিবাসী সঙ্কটেরসমস্যা সমাধানের কোনো পরিকল্পনানা থাকার জন্য নিউইয়র্ক সিটিকে দায়ী করেছে বাইডেন প্রশাসন। অথচ, সীমান্ত দিয়ে আসা আশ্রয়প্রার্থীদের সামাল দিতে মার্কিন নগরীগুলো সহায়তা করার কোনো পরিকল্পনা করতে পারেনি মার্কিন ফেডারেল সরকার।

এক লাখের বেশি অভিবাসীকে সামাল দিতে নিউইয়র্ক সিটি যখন নাকানি-চুবানি খাচ্ছে, তখন ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটির মূল্যায়ন দলের একটি অপ্রকাশিত রিপোর্ট ফাঁস হয়েছে। একে সিটি হল তাদেরমুখে চড় দেওয়াবলে অভিহিত করেছে।

ওই রিপোর্টে ফেডারেল তদন্তকারীরা অভিবাসী সঙ্কট থেকে বাইডেন প্রশাসনকে মুক্তি দিয়ে রাজ্য সিটির ওপর সব দোষ চাপিয়ে দিয়েছে।

এমনকি ওই রিপোর্টে আশ্রয়প্রার্র্থী সঙ্কট থেকে মুক্তির জন্য অভিবাসীদের নিয়ে কোনো পরিকল্পনা না থাকার জন্যও নিউইয়র্ক সিটির তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে।

সিটি হলের মুখপাত্র কায়লা মামেলাক এই জাতীয় সঙ্কটে ফেডারেল সরকারের কাছ থেকে অর্থপূর্ণ সহায়তা না পাওয়ার জন্য ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন, এটি একটি জাতীয় সমস্যা। অথচ এর দায় চাপানো হচ্ছে একটি নগরীর ওপর। তিনি নিউইয়র্ক সিটির ওপর দায় চাপানোকে অত্যন্ত হতাশাজনক কাজ হিসেবে অভিহিত করেন।

গত মঙ্গলবারও হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তারা সঙ্কট সমাধানে তাদের প্রয়াসের কথা সাংবাদিকদের কাছে তুলে ধরেন। তবে তারা নতুন কোনো পরিকল্পনা দেননি। বরং, কংগ্রেসের দিকে আঙুল তুলেছেন।

সিটি হল মুখপাত্র বলেন, অভিবাসী সঙ্কট সমাধানে নিউইয়র্ক সিটি অব্যাহতভাবে ফেড সরকারের সহায়তা কামনা করছে।

নিউইয়র্ক সিটির মেয়র অ্যাডামস এবং গভর্নর হোকুল উভয়েই এই সঙ্কটের দায়ভার গ্রহণের জন্য বাইডেন প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছেন। অ্যাডামস পর্যন্তও বলেছেন যে এই সঙ্কট দ্রুত সমাধান করা না হলে নিউইয়র্ক সিটি বিধ্বস্ত হয়ে যাবে।

গত বছর থেকে নিউইয়র্ক সিটিতে আসতে থাকা আশ্রয়প্রার্থীর সংখ্যা এখন এক লাখ ১০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। তাদের মৌলিক চাহিদা মেটানোর জন্য নিউইয়র্ক সিটিকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে। ফেডারেল সরকার এখন পর্যন্ত দিয়েছে ১৫০ মিলিয়ন ডলারেরও কম। অথচ, ২০২৫ সাল নাগাদ এই খাতে ব্যয় হবে ১২ বিলিয়ন ডলার।

শেয়ার করুন: