ছবি: সংগৃহীত
পবিত্র শবে বরাত উপলক্ষে নিউইয়র্কের বাংলাদেশি অধ্যুষিত জ্যাকসন হাইটসে এক মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে কমিউনিটির বিশ্বস্ত ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান গোল্ডেন এজ হোমকেয়ার। গত ২ ফেব্রুয়ারি, সোমবার সন্ধ্যায় জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এ মিলাদ মাহফিলে কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ইমাম মুস্তাইন বিল্লাহ রব্বানী।
পরে তিনি শবে বরাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে কোরআন ও হাদিসের আলোকে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, পবিত্র শবে বরাতের কথা সহিহ হাদিসে স্পষ্টভাবে এসেছে। এ রাতকে অনেকে ‘ভাগ্য রজনী’ বলেও অভিহিত করেন। এই রাতে আল্লাহ তায়ালা অসংখ্য বান্দাকে ক্ষমা করে দেন। তিনি নব্য ফতোয়াবাজদের বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি আক্ষেপ করে বলেন, নিউইয়র্কে কিছু কিছু মসজিদ এ রাতে বন্ধ রাখা হয়েছে, যা দুঃখজনক। মসজিদ তো ইবাদতের স্থান—মানুষ ইবাদত করতেই সেখানে যাবে।
শবে বরাতের তাৎপর্য নিয়ে বিশেষ আলোচনা করেন মাওলানা ইমাম কাজী কাইয়্যুম। তিনি বলেন, এই রাতে আল্লাহ তায়ালা বান্দাদের জন্য বিশেষ রহমত ও ক্ষমার সুযোগ রেখেছেন। কেউ যদি আন্তরিকভাবে অতীতের গুনাহ স্মরণ করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন। তাই এ রাতে আমাদের শুধু নিজেদের জন্য নয়, আমাদের পূর্বপুরুষসহ সব মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করা উচিত। তিনি আরও বলেন, একসময় প্রতিটি মহল্লায় শবে বরাত গভীর ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালিত হতো। কিন্তু এখন সেই চর্চা কমে যাচ্ছে। মানুষ এ রাতের প্রকৃত তাৎপর্য ভুলে যাচ্ছে। তাই শবে বরাতের শিক্ষা উপলব্ধি করে তা বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করার আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠান সফলভাবে আয়োজনের জন্য সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন শাজ নেওয়াজ। তিনি বলেন, গোল্ডেন এজ হোমকেয়ার প্রতি বছরই শবে বরাত পালন করবে।
তিনি আক্ষেপ করে বলেন, একশ্রেণির মানুষ অকারণে কমিউনিটিতে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। আল্লাহর কাছে কিছু চাওয়ায় কোনো অসুবিধা নেই। আল্লাহ নিজেই তওবা ও দোয়ার জন্য বান্দাদের আহ্বান জানিয়েছেন। আসুন, আমরা সবাই আল্লাহর পথে চলি।
দোয়া মাহফিলে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন, শাহনেওয়াজ গ্রুপ ও গোল্ডেন এজ হোমকেয়ারের সিইও শাহনেওয়াজ, ভাইস প্রেসিডেন্ট রানো নেওয়াজ, বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান ও কামরুজ্জামান কামরুল, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ও ডেমোক্রেটিক লিডার অ্যাট লার্জ অ্যাটর্নি মইন চৌধুরী, জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশ বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ফাহাদ সোলায়ান, একুশে টিভির সিইও সৈয়দ আশিক রহমান, আইটিভির মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, নিউইয়র্ক-বাংলাদেশ লায়ন্স ক্লাবের সাবেক প্রেসিডেন্ট রকি আলিয়ান, বর্তমান প্রেসিডেন্ট জেএফএম রাসেল, জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির সভাপতি ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক অনিক রাজ, রিজু মোহাম্মদ, শিক্ষা সম্পাদক হাসান জিলানী, ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য মোহাম্মদ আতোয়রুল আলম, বিশিষ্ট রিয়েলটর ও ইনভেস্টর নুরুল আজিম, কার্যনির্বাহী সদস্য আবুল কাশেম চৌধুরী, সাবেক সমাজকল্যাণ সম্পাদক কাজী তোফায়েল ইসলাম, শাহ গ্রুপের প্রেসিডেন্ট শাহ জে চৌধুরী, কমিউনিটি অ্যাকটিভিস্ট নওশাদ হোসেন, জেবিবিএর সহ-সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, শাখাওয়াত বিশ্বাস, নূরুজ্জামান সর্দার, কবি হুমায়ুন কবীর ঢালি, জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর প্রেসিডেন্ট শাকিল মিয়া, আকবর হায়দার কিরণসহ আরও অনেকে। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ও ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের প্রেসিডেন্ট শাহ শহীদুল হক।
রেস্টুরেন্টে আয়োজিত এ মিলাদ মাহফিলে কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন ইমাম মুস্তাইন বিল্লাহ রব্বানী। পরে তিনি শবে বরাতের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে কোরআন ও হাদিসের আলোকে বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, পবিত্র শবে বরাতের কথা সহিহ হাদিসে স্পষ্টভাবে এসেছে। এ রাতকে অনেকে ‘ভাগ্য রজনী’ বলেও অভিহিত করেন। এই রাতে আল্লাহ তায়ালা অসংখ্য বান্দাকে ক্ষমা করে দেন। তিনি নব্য ফতোয়াবাজদের বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। পাশাপাশি তিনি আক্ষেপ করে বলেন, নিউইয়র্কে কিছু কিছু মসজিদ এ রাতে বন্ধ রাখা হয়েছে, যা দুঃখজনক।
মসজিদ তো ইবাদতের স্থান—মানুষ ইবাদত করতেই সেখানে যাবে। শবে বরাতের তাৎপর্য নিয়ে বিশেষ আলোচনা করেন মাওলানা ইমাম কাজী কাইয়্যুম। তিনি বলেন, এই রাতে আল্লাহ তায়ালা বান্দাদের জন্য বিশেষ রহমত ও ক্ষমার সুযোগ রেখেছেন। কেউ যদি আন্তরিকভাবে অতীতের গুনাহ স্মরণ করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন। তাই এ রাতে আমাদের শুধু নিজেদের জন্য নয়, আমাদের পূর্বপুরুষসহ সব মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করা উচিত। তিনি আরও বলেন, একসময় প্রতিটি মহল্লায় শবে বরাত গভীর ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালিত হতো। কিন্তু এখন সেই চর্চা কমে যাচ্ছে। মানুষ এ রাতের প্রকৃত তাৎপর্য ভুলে যাচ্ছে। তাই শবে বরাতের শিক্ষা উপলব্ধি করে তা বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠান সফলভাবে আয়োজনের জন্য সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন শাজ নেওয়াজ। তিনি বলেন, গোল্ডেন এজ হোমকেয়ার প্রতি বছরই শবে বরাত পালন করবে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, একশ্রেণির মানুষ অকারণে কমিউনিটিতে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। আল্লাহর কাছে কিছু চাওয়ায় কোনো অসুবিধা নেই।
আল্লাহ নিজেই তওবা ও দোয়ার জন্য বান্দাদের আহ্বান জানিয়েছেন। আসুন, আমরা সবাই আল্লাহর পথে চলি। দোয়া মাহফিলে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন, শাহনেওয়াজ গ্রুপ ও গোল্ডেন এজ হোমকেয়ারের সিইও শাহনেওয়াজ, ভাইস প্রেসিডেন্ট রানো নেওয়াজ, বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, সিনিয়র সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন দেওয়ান ও কামরুজ্জামান কামরুল, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ও ডেমোক্রেটিক লিডার অ্যাট লার্জ অ্যাটর্নি মইন চৌধুরী, জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশ বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ফাহাদ সোলায়ান, একুশে টিভির সিইও সৈয়দ আশিক রহমান, আইটিভির মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, নিউইয়র্ক-বাংলাদেশ লায়ন্স ক্লাবের সাবেক প্রেসিডেন্ট রকি আলিয়ান, বর্তমান প্রেসিডেন্ট জেএফএম রাসেল, জ্যামাইকা বাংলাদেশ ফ্রেন্ডস সোসাইটির সভাপতি ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, বাংলাদেশ সোসাইটির প্রচার সম্পাদক অনিক রাজ, রিজু মোহাম্মদ, শিক্ষা সম্পাদক হাসান জিলানী, ট্রাস্টি বোর্ড সদস্য মোহাম্মদ আতোয়রুল আলম, বিশিষ্ট রিয়েলটর ও ইনভেস্টর নুরুল আজিম, কার্যনির্বাহী সদস্য আবুল কাশেম চৌধুরী, সাবেক সমাজকল্যাণ সম্পাদক কাজী তোফায়েল ইসলাম, শাহ গ্রুপের প্রেসিডেন্ট শাহ জে চৌধুরী, কমিউনিটি অ্যাকটিভিস্ট নওশাদ হোসেন, জেবিবিএর সহ-সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান, শাখাওয়াত বিশ্বাস, নূরুজ্জামান সর্দার, কবি হুমায়ুন কবীর ঢালি, জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর প্রেসিডেন্ট শাকিল মিয়া, আকবর হায়দার কিরণসহ আরও অনেকে। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব ও ওয়ার্ল্ড হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের প্রেসিডেন্ট শাহ শহীদুল হক।

















