মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২

সাপ্তাহিক নবযুগ :: Weekly Nobojug

টমি মিয়া ও তার প্রতিষ্ঠানের এমডির বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা

ঢাকা অফিস

আপডেট: ২০:২২, ১০ নভেম্বর ২০২২

টমি মিয়া ও তার প্রতিষ্ঠানের এমডির বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা

টমি মিয়া ও তার প্রতিষ্ঠানের এমডির বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা

টমি মিয়া’স হসপিটালিটি ম্য্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের চেয়ারম্যান ব্রিটিশ বাংলাদেশি তারকা রন্ধনশিল্পী টমি মিয়া ও প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা হয়েছে।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বেগম শুভ্রা চক্রবর্তীর আদালতে রবিবার মামলাটি দায়ের করেন প্রতিষ্ঠানটির সাবেক মার্কেটিং উপদেষ্টা এস এম আলী জাকের। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আসামিদের আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেছেন।

এস এম আলী জাকের জানান, প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি) তাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালাতে তার দায়ের করা আরেকটি মামলা এখন চলমান রয়েছে। অভিযোগ থেকে জানা যায়, আলী জাকের ২০২১ সালের ২৯ ডিসেম্বর টমি মিয়া’স হসপিটালিটি ম্য্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটে চুক্তিভিত্তিক মার্কেটিং উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। ১ জানুয়ারি ২০২২ থেকে ৩০ এপ্রিল এই চার মাস কাজও করেন। তবে চুক্তি অনুযায়ী চার লাখ ২৮ হাজার টাকা পাওনা হলেও আসামিরা কোনো টাকা পরিশোধ করেননি।

মামলার অভিযোগ মতে, গত ২৯ মার্চ বাদী টাকা চাইলে আসামিরা তার প্রাণনাশের হুমকি দেন। সেদিনই তিনি বনানী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এজাহারে আরো বলা হয়, টাকা চেয়ে গত ১ জুন আসামিদের লিগ্যাল নোটিশ পাঠান আলী জাকের। মামলার বাদী আলী জাকের বলেন, গত ৫ জুন এই নোটিশ গ্রহণ করার পর তাজুল ইসলাম বাদীকে প্রতিশ্রুতি দেন এক সপ্তাহের মধ্যে টাকা পরিশোধের। কিন্তু তারা তা করেননি। টাকা পরিশোধের কথা বলে বনানীতে টমি মিয়ার অফিসে ডেকে নিয়ে তাজুল ইসলাম বেশ কিছু ব্যক্তির উপস্থিতিতে বাদীকে হুমকিধমকি দেন বলেও মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা বাদীর সরল বিশ্বাসকে ব্যবহার করে তার পাওনা টাকা আত্মসাৎ করার লক্ষ্যে হুমকি প্রদান করে, যা দণ্ডবিধির ৪২০/৪০৬/৫০৬ ধারায় বিচারযোগ্য অপরাধ করেছে।

এদিকে এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে টমি মিয়া'স হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাজুল ইসলাম দাবি করেন, তিনি ইতিমধ্যে টাকা পরিশোধ করেছেন। এর কোনো নথি আছে কি না জানতে চাইলে তাজুল ইসলাম তা পাঠাবেন বলে একাধিক দিন সময় নেন। কিন্তু এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো নথি পাওয়া যায়নি। সূত্র : কালের কন্ঠ

 

শেয়ার করুন: