শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬

সাপ্তাহিক নবযুগ :: Weekly Nobojug

দ্বিতীয় মেয়াদে জয়ের পরপরই  ডিএসএ-এর চাপে হোকুল

নবযুগ রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৭:৩৭, ৬ নভেম্বর ২০২৬

দ্বিতীয় মেয়াদে জয়ের পরপরই  ডিএসএ-এর চাপে হোকুল

ছবি সংগৃহীত

দ্বিতীয় মেয়াদে পুনঃনির্বাচিত হওয়ার পরপরই ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকা-এর তীব্র চাপের মুখে পড়েছেন নিউ ইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুল। যদিও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হোকুলের এই বড় জয় বামপন্থীদের জনপ্রিয়তার চেয়ে বরং ট্রাম্প-বিরোধী গণজোয়ারের কারণেই বেশি সম্ভব হয়েছে।

তা সত্ত্বেও ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্টস অব আমেরিকার নিউ ইয়র্ক চ্যাপ্টার গভর্নর হোকুলকে ধনীদের ওপর ট্যাক্স বাড়ানো, বিনামূল্যে শিশু যতœ নিশ্চিত করা এবং সর্বনি¤œ মজুরি বৃদ্ধির মতো অ্যাজেন্ডাগুলো মেনে নিতে চাপ দিচ্ছে। ওয়ার্কিং ফ্যামিলিজ পার্টিও এই দাবির প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করে আসন্ন বাজেট অধিবেশনে কঠোর লড়াইয়ের ঘোষণা দিয়েছে।
হোকুল ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর পাশাপাশি ডব্লিউএফপি লাইনে লড়াই করলেও ডিএসএ তাকে সরাসরি সমর্থন দেয়নি। নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি এমনকি হোকুলকে সমর্থন দিলে দলের একাংশ তার বিরুদ্ধে ধনীদের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার অভিযোগ তোলে। তা সত্ত্বেও নির্বাচন দিবসে রিপাবলিকান প্রার্থী ব্রুস ব্ল্যাকম্যানের বিরুদ্ধে হোকুলের ২০ পয়েন্টের বড় ব্যবধানের জয়ের পর ডিএসএ-এর সমর্থকরা ‘ধনীরা ট্যাক্স দিক’ স্লোগানে মুখরিত হয়।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই জয়ে হোকুল বামপন্থীদের চেয়ে বেশি উপকৃত হয়েছেন ট্রাম্পের প্রতি সাধারণ জনগণের ক্ষোভের কারণে। ভোট বিশ্লেষক ব্রাডলি হোনান এবং কৌশলবিদ ও’ব্রায়েন মারে জানান, স্থানীয় ইস্যুগুলোর চেয়ে ট্রাম্প-বিরোধী জাতীয় ভাবাবেগই ভোটারদের ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে এনে দিয়েছে। ফলে ২০২২ সালে মাত্র ৬ পয়েন্টে জেতা হোকুল এবার বিশাল জয় পেয়ে জাতীয় রাজনীতিতেও নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন।
তবে এই জয় ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ভেতরের গৃহযুদ্ধ থামাতে পারছে না। ডান-বাম ও প্রগতিশীল সোশ্যালিস্টদের এই চাপ সামলে হোকুল ধনীদের ওপর কর বাড়াবেন কি না, তা নিয়ে বিতর্ক এখন নিউ ইয়র্ক রাজনীতির মূল কেন্দ্রবিন্দু।
 

শেয়ার করুন: