ছবি সংগৃহীত
নিউ ইয়র্কের ফ্যাশন উদ্যোক্তা মার্থা নোলা-ও’স্ল্যাটারার মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত বীমা ধনকুবের ও ইয়ট মালিক ক্রিস্টোফার ডার্নান দীর্ঘ দুই মাস আত্মগোপনে থাকার পর অবশেষে আদালতের সমন হাতে পেয়েছেন।
অক্টোবরের শুরুতে ফ্লোরিডার জুপিটারে সমন হাতে পাওয়ার পর ডার্নান অত্যন্ত উদ্ধত্যের সাথে প্রসেস সার্ভারকে (সমমনকারী) বলেন, ‘অবাক হচ্ছি যে আপনাদের আমাকে খুঁজে পেতে এত সময় লাগল!’
৩৩ বছর বয়সী ফ্যাশন ডিজাইনার মার্থাকে ২০২৫ সালের আগস্টে মন্টক ইয়াট ক্লাবে ভেড়ানো ডার্নানের বিলাসবহুল নৌকায় রক্তাক্ত ও নিথর অবস্থায় পাওয়া যায়। প্রাথমিক তদন্তে মাদক সেবনে মৃত্যু হয়েছে বলা হলেও, স্বতন্ত্র ময়নাতদন্তে কেবল সামান্য কোকেনের আলামত মেলে। ডার্নানই ছিলেন মার্থাকে জীবিত দেখা শেষ ব্যক্তি।
মার্থার মৃত্যুর এক বছর পূর্তিতে তার পরিবার ডার্নানের বিরুদ্ধে হামলা, অবহেলা ও গুরুতর গাফিলতির অভিযোগ এনে নিউ ইয়র্ক কাউন্টি কোর্টে ৫০ মিলিয়ন (৫ কোটি) ডলারের দেওয়ানি মামলা ঠুকে দেয়।
মামলার পর আইনজীবীরা লং আইল্যান্ড ও ক্যাটসকিলসের একাধিক ঠিকানায় অভিযান চালিয়েও ডার্নানের দেখা পাননি। অবশেষে সেপ্টেম্বরে ফ্লোরিডায় তার দুটি গাড়ি শনাক্ত করার পর প্রায় ১০ বার চেষ্টা চালিয়ে ১ অক্টোবর তাকে বাড়ির বাইরে সমন ধরানো সম্ভব হয়।
ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্তে মার্থার পরিবার এবং তার আইনজীবী মাইকেল বো একটি গোপন টিপ-লাইন চালু করেছেন এবং এ বিষয়ে তথ্য আছে এমন যে কাউকেও এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

















