শনিবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৩

সাপ্তাহিক নবযুগ :: Weekly Nobojug

খান শওকতের ৪টি নাটক নিয়ে কলকাতায় বঙ্গবন্ধু নাট্য উৎসব

নবযুগ ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:৫৭, ৩০ ডিসেম্বর ২০২২

খান শওকতের ৪টি নাটক নিয়ে কলকাতায় বঙ্গবন্ধু নাট্য উৎসব

ফাইল ছবি

সম্প্রতি কলকাতার যোগেশ মাইম একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হলো প্রথম ভারত-বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু নাট্য উৎসব। উৎসবে নিউইয়র্ক প্রবাসী নাট্যকার খান শওকতের ৪টি নাটক মঞ্চস্থ করা হয়। দুই বাংলার চারটি নাট্যগ্রুপ নাটকগুলোর মঞ্চায়ন করে। বাংলাদেশ স্বাধীনের পর দুই বাংলার নাট্যকর্মীদের এটিই প্রথম সম্মিলিত কোনো উদ্যোগ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ-ভারতের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। এসময় অনুষ্ঠানে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন উৎসবের প্রধান অতিথি নাট্যজন গোবিন্দ বন্দোপাধ্যায়। এসময় চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব সুমন চক্রবর্তী, বিশিষ্ট অভিনেতা বিমান চক্রবর্তী, অংশগ্রহনকারি ৪টি নাট্যদলের জন নির্দেশক এজহারুল হক মিজান, সঞ্জয় সাহা, কিশোর দত্ত সমিত  চৌধুরী, টালীগঞ্জ থেকে আসা চলচ্চিত্র প্রতিনিধি দলের সদস্য ইন্দ্রোজিৎ সান্যাল, কুন্তল, বিতান, অমিত, রতন, আগরতলা নিউজের ইন্দ্রোজিৎ গুপ্তা, আশুতোষ কলেজের অধ্যাপক ঋষি বাবুসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী পর্বে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী . একে আব্দুল মোমেনের শুভেচ্ছা বাণী পাঠ করা হয়। এরপর প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের পর নাট্য উৎসবের থিম সঙ্গীত পরিবেশিত হয়। উৎসবে যথাক্রমে মঞ্চে আসেন কুমিল্লার সারথী থিয়েটার। তাদের নাটকের নাম- মার্চের ভাষণ। নির্দেশনা- এজহারুল হক মিজান। নাটকে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক মার্চের ভাষনের পটভূমি বাস্তবতা তুলে ধরা হয়।

এরপর ভারতের বনগাঁর গোবরাপুর সংবিত্তি নাট্য সংস্থাআমার নাম শেখ মুজিবনাটকটি মঞ্চস্থ করে। তৃতীয় দল হিসেবে মঞ্চে আসে কলকাতার যাদবপুর দলমাদল। তাদের পরিবেশনায় ছিলোবঙ্গবন্ধু  শেখ মুজিব নাটকে বঙ্গবন্ধু চরিত্রে অভিনয় করেন সঞ্জয় সাহা।

সবশেষে ভারতের হাওড়ার ব্যাপ্তি কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন মঞ্চে নিয়ে আসেমুজিব বাইয়া যাওরেনাটকটি। নাটকে বঙ্গবন্ধুর দেশপ্রেম, সংগ্রাম, কারাজীবন এবং হত্যাকা-ের বিভিন্ন দিক অভিনয়, কোরিওগ্রাফি এবং মাঈমের কম্বিনেশনে ফুটিয়ে তোলা হয়। সবগুলো নাটকের রচয়িতাই খান শওকত। 

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি গোবিন্দ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুই বাংলার সম্পর্ককে আরও আন্তরিক সুদৃঢ় করতে ধরনের আয়োজন বারবার হওয়া দরকার বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, সংস্কৃতির কোনো সীমান্ত নেই। তাই বাংলাদেশ ভারতের মধ্যকার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যই আমাদের এই সম্পর্ককে আরো দীর্ঘকাল বাঁচিয়ে রাখবে।

শেয়ার করুন: